More

    This Website Under Constraction

    হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack) এর লক্ষণ ও মুক্তির ৩০টি সমাধান

    হার্ট অ্যাটাক বলতে আমরা কী বুঝি? হৃদরোগ সম্বন্ধে বলতে গেলে প্রথমে হার্ট অ্যাটাক কী জিনিস সেটা বোঝা দরকার। এটি হলে হৃদপিণ্ড বা হার্টের অসুখ। হার্টের অসুখ কিন্তু বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। তার মধ্যে একটি জিনিস আমাদের দেশে খুব প্রচলিত ছিল, সেটি হলো, রিউমাটয়েড ফিভার বা বাত জ্বর হওয়ার পর হার্টের ভাল্ব নষ্ট হতো।

    একে আমরা বলতাম রিউমাটয়েড হার্ট ডিজিজ। এতে হার্টের ক্ষতি হতে হতে হার্ট ফেইলিউর তৈরি হয়। এবং বাচ্চা বয়স থেকে শুরু করে পরিণত বয়সের লোকজন মারা যেত। এটি একটি বিষয় হার্ট অ্যাটাক এর।

    আরেকটি হলো, যাদের হাইপারটেশন বা হাই ব্লাড প্রেশার ( উচ্চ রক্তচাপ) ছিল, তাদের অনেক সময় হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। জন্মগত হৃদরোগ তো আছেই। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেই জিনিসটি যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলে থাকি ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ।

    ইসকেমিক কথাটার একটু ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন। ইসকেমিক কথাটার মানে হলো, কাজ কর্ম করার জন্য যেটুকু রক্তের প্রয়োজন, সে রক্ত যদি ঠিক মতো না হয়, তাহলে যে রোগগুলো হয় একে ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ বলে।

    আমরা জানি শরীরে রক্ত স্বঞ্চালন করতে হলে হার্টের নিজস্ব রক্তের প্রয়োজন। এই নিজস্ব রক্ত বহনের জন্য যে রক্তনালীগুলো আছে, সেখানে যদি কোনো রোগ হয়, তাহলে ক্রমাগতভাবে রক্ত কমতে কমতে হার্টের রোগ হতে পারে।

    ক্রমাগতভাবে কমতে কমতে হার্ট অ্যাটাক হলে যেটা হয়, আস্তে আস্তে বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ হয়, হার্টের কার্যক্রম কমে যায়, মানুষ দুর্বল হয়ে যায়। হার্ট দুর্বল হয়ে আসে এবং হার্ট ফেইলিউর তৈরি হয়। কিন্তু এই রোগটি যখন হঠাৎ করে হয়, তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। হার্ট অ্যাটাক হলে অনেক ক্ষেত্রে মানুষ মারা যায়। যারা বেঁচে যায়, তাদেরও কার্যক্ষমতা কমে যায়।

    হার্ট অ্যাটাক কি, হার্ট অ্যাটাকের কারণ কী?, হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব লক্ষণ, হার্ট অ্যাটাক এর চিকিৎসা, হার্ট অ্যাটাক হলে করনীয়, হার্ট অ্যাটাকের প্রাথমিক চিকিৎসা, হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা, হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধের উপায়, শীতে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব লক্ষণ, হার্ট অ্যাটাক হলে করনীয়, হার্ট অ্যাটাকের কারণ, হার্ট অ্যাটাক থেকে বাচার উপায়, হার্ট ব্লক হওয়ার লক্ষণ, হার্ট এটাক এর পূর্ব লক্ষণ, হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করা হলো।

    « এক নজরে দেখুন এই প্রতিবেদনে কি কি রয়েছে »

    হার্ট অ্যাটাক কি?

    হার্টের রক্তনালি ব্লকজনিত সমস্যা হয়ে হার্ট অ্যাটাক হয়। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ধূমপান, মদপান, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ।

    হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন কেন?

    আসলে হার্টের অ্যাটাক বলতে আমরা যেটি বুঝি, একে আমরা মেডিকোসিস মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বলি। আসলে হার্টে দুটো রক্তনালি থাকে, একটি হলো রাইট (ডান) করোনারি আর্টারি, আরেকটি হলো লেফ্ট (বাম) করোনারি আর্টারি।

    এই রক্তনালিতে যদি কোনো কারণে চর্বি জমে থাকে, একে প্ল্যাক বা ব্লক বলি আমরা। সেই ব্লকের ওপর যদি রক্ত জমাট বাঁধে, তখন এটি পুরোপুরি ব্লক হয়ে যায়। ১০০ ভাগ ব্লক হলেই যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, অর্থাৎ বুকে ব্যথা বা হঠাৎ করে মৃত্যু হওয়া, এ ধরনের যে পরিস্থিতি হয়, তাকেই আমরা হার্ট অ্যাটাক বলি।

    পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগতির ১৫টি বুলেট ট্রেন (ছবিসহ)

    যেভাবে হার্ট অ্যাটাক হয়

    যেভাবে হার্ট অ্যাটাক হয়
    Image Source: MedilinePlus.gov

    হৃৎপিণ্ড আমাদের দেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। জন্মের পর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অনবরত এটি কাজ করে চলেছে। এর মূল কাজ হলো দেহের প্রত্যেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে রক্ত সরবরাহ করা।

    কিন্তু মাত্র ৩১০ গ্রাম ওজনের এই যন্ত্রটির ঠিকমতো কাজ করতে নিজেরও শক্তির প্রয়োজন হয়। এই শক্তি আসে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রবাহের মাধ্যমে। করোনারি ধমনীর মাধ্যমে হৃৎপিণ্ড নিজের জন্য এই রক্ত সরবরাহ করে। কোনো কারণে রক্ত সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেলেই বিপদ। 

    প্রথমে করোনারি ধমনীতে রক্ত জমাট বেঁধে ব্লক তৈরি হয়। তখন হৃৎপিণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কিছু পেশীতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে সেগুলো অকেজো হয়ে যেতে পারে।

    আর একেই আমরা বলি হার্ট অ্যাটাক, যার আভিধানিক নাম মায়োকার্ডিয়াল ইনফারকশন। রক্ত চলাচল ব্যবস্থা যে হঠাৎ করেই বন্ধ হবে এমন কোনো কথা নেই। একজন ব্যক্তির হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গগুলো কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই দেখা দিতে পারে।

    যৌন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের গুরুত্বপূর্ণ ১০১টি প্রশ্ন উত্তর!

    হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ কী ?

     হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ কী ?

    হার্ট অ্যাটাক হওয়ার পূর্বে বেশ কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। রোগীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের এই লক্ষণগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা উচিত। 

    • হার্ট অ্যাটাকের প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হলো বুকে ব্যথা। বুকের মাঝখানে ও বাম পাশে ব্যথা অনুভূত হয় এবং ধীরে ধীরে এর তীব্রতা বাড়তে থাকে। রোগীর মনে হতে পারে তার বুকের উপর কোনো কিছু চাপ দিয়ে রাখা হয়েছে। আবার এমনও মনে হতে পারে যে, বুকের মাঝে কিছু একটা আটকে আছে। এই ব্যথা একটানা বা কিছুক্ষণ পরপর থেমে থেমে অনুভূত হয়।
    • শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা হয়। বুকে ব্যথার পাশাপাশি নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে। বুকের ব্যথা ছাড়াও এককভাবে এমনটি হতে পারে।
    • দেহের উপরের অংশে (নাভীর উপর থেকে) চোয়াল, হাত এবং ঘাড়ে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়।
    • মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব এবং বদহজম দেখা দিতে পারে।
    • শীতের মধ্যেও অনবরত ঘামতে থাকা, চোখে ঝাপসা দেখা, দেহের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা ইত্যাদি নিয়মিত লক্ষণের মাঝে পড়ে।
    • নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসা অথবা শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
    • বুকে মারাত্মক তীব্র ব্যথা হতে পারে।
    • বুকে চাপ অনুভুত হওয়া, যন্ত্রণা হওয়া কিংবা ভারী ভারী লাগা।
    • বিষম খাওয়া।
    • শরীরে প্রচুর পরিমানে ঘাম হতে পারে।
    • খাবার হজমে সমস্যা হবে এবং পেটের উপরের অংশে জ্বালাপোড়া করতে পারে।
    • চোখে ঝাপসা দেখা, অন্ধকার দেখা ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।
    • হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হলে রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।

    যেমন : বুকে ব্যথা হচ্ছে, কিছুক্ষণ থেকে আবার ঠিক হয়ে যায়।

    এগুলোকে আমরা বলি স্ট্যাবল এনজাইনা। আর কখনো কখনো দেখা যায় ব্যথাটা অনেক সময় ধরে থাকে। ২০ বা ৩০ মিনিট ধরে থাকে, কিন্তু সেখানে পুরোপুরি ব্লক হচ্ছে না, তখন আমরা একে বলি আনস্ট্যাবল এনজাইনা।

    ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর ও ১০১টি সমাধান (২০১৯)

    আর যখন ১০০ ভাগ বন্ধ হয়, ব্যথা বেশি সময় থাকে, তাকে আমরা হার্ট অ্যাটাক বলি।এই তিনটি অবস্থা হতে পারে। যদি পুরোপুরি বন্ধ না হয় তখন স্ট্যাবল বা আনস্ট্যাবল অবস্থায় আসতে পারে।

    এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, রোগীর বুকে ব্যথা হচ্ছে, কাজ করলে ব্যথা হয়, বিশ্রাম নিলে কমে যায়। সে ক্ষেত্রে আমরা রোগীকে কিছু চিকিৎসা দিই এই ধরনের ব্যথাগুলো কমে থাকার জন্য। আর এ ক্ষেত্রে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হই, তার রক্তনালিতে ব্লকের অবস্থার বিষয়ে। নিশ্চিত হওয়ার পর আমরা সেভাবে এগোই।

    হার্ট অ্যাটাক হলে আশপাশের মানুষের বা পরিবারের লোকজনের করণীয় কি?

    হার্ট অ্যাটাক হলে আশপাশের মানুষের বা পরিবারের লোকজনের করণীয় কি?
    হার্ট অ্যাটাক

    হার্ট অ্যাটাক একটি জটিল সমস্যা। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান ইত্যাদি হার্ট অ্যাটাকের কারণ। হার্ট অ্যাটাক হলে বুকের মাঝখানে তীব্র ব্যথা শুরু হয়, বুকে এক ধরনের চাপা অনুভূত হয়। পাশাপাশি ব্যথাটি কাঁধ, বাঁ হাতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ঘামও হতে পারে এ সময়। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে হার্ট বিকল হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

    মেদ ও ভুঁড়ি কমানোর (৪০) টি বিশেষ স্বাস্থ্য টিপস

    • প্রথমেই ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে।
    • যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে নিতে হবে।
    • রোগীর শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে কিনা খেয়াল করতে হবে।
    • রোগী কোথাও ভ্রমণে গেলে সাথে প্রয়োজনীয় তথ্য সম্বলিত চিরকুট রাখুন।
    • হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেলে সিপিআর পদ্ধতি প্রয়োগ করতে হবে। দুই হাত দিয়ে রোগীর বুকে চাপ দিয়ে সিপিআর (কার্ডিয়াক পালমোনারি রিসাসসিটেশন) দিতে হবে।
    • বিপদের মধ্যে কী কী করতে হবে তার একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে রাখা উচিত।

    সিপিআর দেয়ার নিয়ম

    প্রথমে রোগীকে চিৎ করে শোয়াতে হবে। তারপর, রোগীর পালস আছে কি না এবং শ্বাস নিচ্ছে কি না তা দেখতে হবে। এরপর, একটি হাত প্রসারিত করে অন্য হাতের আঙুল দিয়ে লক তৈরি করতে হবে। হাতের তালুর উঁচু অংশটি বুকের পাজরের নিচের অংশে ঠিক মাঝ বরাবর স্থাপন করতে হবে। এরপর, প্রতি সেকেন্ডে ২ বার করে জোরে জোরে চাপ দিতে হবে।

    তবে, খেয়াল রাখতে হবে দুই হাত যেন ভাজ না হয়। এমন ভাবে চাপ দিতে হবে যেন দেড় থেকে ২ ইঞ্চি দেবে যায়।এভাবে ৩০বার চাপ দেয়ার পর, রোগীর কপাল এবং থুঁতনিতে হাত দিয়ে মুখটি খুলতে হবে। এরপর মুখ দিয়ে মুখে জোরে জোরে দুইবার শ্বাস দিতে হবে।

    পরে, আবার সেই একই পদ্ধতি অনুসরণ করে ৩০ বার বুকে চাপ দিয়ে ২ বার শ্বাস দিতে হবে। হাসপাতালে নিতে নিতে এই পদ্ধতি একজন ৫ বার অনুসরণ করবে।  এরপর পাশে অন্য কেউ থাকলে সেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করে সিপিআর দিতে থাকবে।

    রোগীর যদি ঘাম হয়, বুকে চাপা ব্যথা হয়, এর সঙ্গে যদি তার উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস থেকে থাকে, তাহলে তো অনেক বেশি ধরে নেওয়া যায় যে তার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। তাহলে ঘরে যদি ইকোস্প্রিন থাকে, সেটি রোগীকে দেওয়া যেতে পারে।

    বিশ্বের সবছেয়ে বড় জাহাজ; টাইটানিক থেকে ১০গুণ বড়!

    একটি গ্যাসট্রিকের ওষুধসহ রোগী ইকোস্প্রিন খেয়ে নিতে পারেন। পাশাপাশি তখনই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত। কারণ, অনেক সময় এত ম্যাসিভ অ্যাটাক হয়ে যায় যে রোগী মারা যেতে পারে। হাসপাতালে যাওয়া পর্যন্ত সময়টা আমাদের কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে।

    আরো বিস্তারিত জানতে এনটিভির স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রতিবেদন: হার্ট এ্যার্টাক হলে করণীয় ভিডিওটি দেখতে পারেন।

    হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধের উপায়

    হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধের উপায়

    সমাধান বলতে গেলে আমরা দেখব যে কারণটা কী। হার্ট অ্যাটাককে প্রতিরোধমূলক রোগ বলে। হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে আগে থেকে যদি প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করি, সেটি ভালো হয়। আমরা যদি কারণ অনুসন্ধান করি, এর মধ্যে রয়েছে, বয়স, লিঙ্গ।

    এগুলোতো আমরা পরিবর্তন করতে পারব না। কিন্তু যখন আমার বয়স বাড়ছে, তখন এটা হবে আমি ধরে নেব। মেয়েদের বেলায় মেনোপোজের সময় ছেলে আর মেয়ের একই ধরনের সমস্যা হয়।

    আর কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা যায়। যেমন : ধূমপান। ধূমপান বন্ধ করা কোনো ব্যাপারই নয়। পয়সা বাঁচবে, নিজের লাভ হবে। এরপর উচ্চ রক্তচাপ। রক্তচাপ যদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, তাহলে রোগীর উপকার হবে। এরপর হলো ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। এরপর আসছে স্থূলতা।

    বিশ্বের সেরা ২০টি রহস্যময় বিমান নিখোঁজ ও বিমান ‍দূর্ঘটনা

    এরপর রয়েছে কোলেস্টেরল। কোলেস্টেরলের বিষয়ে এখন আমরা সবাই সচেতন। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করলে হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে পারি। এগুলো ইচ্ছে করলে করা যায়।

    হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা

    হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা
    হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা
    • হার্ট এটাকের চিকিৎসায় রোগীকে দ্রুত নিকটস্ত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। এরকম ক্ষেত্রে রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে কিংবা নেওয়ার মধ্যবর্তী রাস্তায় পর্যাপ্ত পরিমানে আলো বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে। রোগীর জিহবার নিচে একটি নাইট্রেট ট্যাবলেট দিতে হবে।
    • হাসপাতাল নির্বাচনের ক্ষেত্রে, হৃদরোগের চিকিৎসা সুবিধা সংবলিত হাসপাতাল হলে উত্তম। হাসপাতালে ভর্তি করে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে ধারাবাহিক চিকিৎসা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
    • হাসপাতালে নেবার পর চিকিৎসক প্রয়োজন অনুসারে চিকিৎসা শুরু করবেন। চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে রোগীর ECG করতে হতে পারে, অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে আবার ইনত্রা ভেনাস ফ্লুইড কিংবা নাইট্রোগ্লিসারিন দিতে পারেন।
    • প্রথমে এনজিওগ্রাম করে ব্লকের পরিমান নির্ণয় করতে হবে। যদি ব্লক বেশি হয় এবং ওষুধে সমাধান হবে না বলে মনে হয়, তবে এনজিওপ্লাস্ট করতে হতে পারে। এক্ষেত্রে সার্জন ছোট হয়ে যাওয়া ধমনীতে প্রয়োজন অনুসারে কয়েকটি মাইক্রো রিং পরিয়ে দিবেন।
    • এরপরেও আবার হার্ট এটাক হলে, চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে ওপেন হার্ট সার্জারি বা বাইপাস সার্জারি করতে পারেন। এক্ষেত্রে সার্জন পা থেকে একটি শিরা কেটে নিয়ে সেটি দিয়ে ধমনীর সমস্যাযুক্ত অংশ দিয়ে স্বাভাবিক রক্ত প্রবাহের একটি বাইপাস রাস্তা তৈরি করে দিতে পারেন।

    হার্ট এ্যার্টাক রোগীকে যে বিষয়গুলো এড়িয়ে চলতে হবে

    হার্ট এ্যার্টাক
    হার্ট এ্যার্টাক

    ঘটনার আকস্মিকতায় আমরা প্রায়ই নানারকম ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারি। এগুলোর সুদূরপ্রসারী ফলাফল রোগীর জন্য কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই কিছু ব্যাপারে আমরা যেন কোনো ভুল করে না বসি সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন –  

    ১. রোগীর অস্বাভাবিকতায় বেশি উত্তেজিত হওয়া ঠিক নয়

    কোনো ক্রমেই আতঙ্কিত হওয়া যাবে না। এটা স্বাভাবিক যে একজন মানুষকে বুকে হাত দিয়ে অস্বাভাবিক আচরণ করতে দেখলে যে কেউ ঘাবড়ে যাবে। কিন্তু মাথা যথাসম্ভব ঠান্ডা রাখলে তা পরিস্থিতির দ্রুত মোকাবেলায় সহযোগিতা করবে।

    সময় এখানে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পরিবারে আহাজারি শুরু হলে তা কেবল সময় অপচয় করবে। এতে রোগীর উপর যেমন বিরূপ প্রভাব পড়বে তেমনি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে অসুবিধা হবে।

    ২. ওষুধপত্র উঁচু জায়গা এবং ড্রয়ারে রাখা উচিত নয়

     রোগীর ওষুধ ও পথ্য সবসময় হাতের কাছে সুবিধাজনক জায়গায় রাখতে হবে। দরকার হলেই যেন সাথে সাথে পাওয়া যায় এমন কোনো অবস্থানে রাখা ভালো।

    ৩. রোগীকে একাকী গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে যেতে দেয়া যাবে না

    বুকে ব্যথা ও অনিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ে রোগী কখনোই নিজে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে যাবেন না। এক্ষেত্রে অন্য কোনো গাড়িচালক কিংবা প্রতিবেশীদের সাহায্য নিতে হবে। 

    ৪. নির্ধারিত ওষুধের বাইরের ওষুধ সেবনের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে

    ডাক্তারের নির্ধারণ করা দেওয়া ওষুধ ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির সুপারিশ করা ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। কী কী ওষুধ সেবন করা যাবে এবং কোনগুলো যাবে না তা নিয়ে ডাক্তারের সাথে বিস্তারিত আলাপ করে নিন।

    ৫. দুর্বল হৃৎপিণ্ডের মানুষদের কঠিন শারীরিক শ্রম পরিহার করা উচিত

    দুর্বল ও অনিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা থাকলে ভারী কোনো শারীরিক কসরতের কাজ করা যাবে না। এতে শরীরে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। কোন ব্যায়ামগুলো শরীরের জন্য ভালো এবং কোনগুলো নয় তা ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে।

    ৬. মোটেই চুপচাপ ব্যথা সহ্য করা যাবে না

     বুকে ব্যথা বাড়তে থাকলে চুপচাপ তা সহ্য করে যাওয়া ঠিক নয়। ব্যথা কমে যাবে এমনটি ভেবে অপেক্ষা করলে দেরি হয়ে যেতে পারে। আর থেমে থেমে ব্যথা শুরু হওয়াও একটি বড় উপসর্গ।

    প্রিয় পাঠক, আপনিও সম্ভব ডটকমের অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল বিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, বিস্ময়কর পৃথিবী, সচেতনমূলক লেখা, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ ইনবক্স করুন- আমাদের ফেসবুকে  SOMVOB.COM লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।

    Recent Articles

    Hands on: Beats PowerBeats Pro review

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    New standalone app for macOS to be Like iTunes

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    NASA spacecraft to collide a small moonlet in 2022

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    The Google Nest Hub Max soups up the smart display

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    Foldable iPhone 2020 release date rumours & patents

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    Related Stories

    Leave A Reply

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    Stay on op - Ge the daily news in your inbox