More

    This Website Under Constraction

    কেন লেবু খাবেন? লেবুর ১০০টি ও বেশি উপকারিতা 😱

    আল্লাহ সৃষ্টি সব ফলের মধ্যে কিছু না কিছু উপকারীতা সৃষ্টি করে রেখেছেন। তার মধ্যে লেবু একটি অন্যতম। নিয়মিত লেবু পানি খেলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্তি মেদ ঝরে যেতে একেবারেই সময় লাগে না লেবুর উপকারিতা ।

    গবেষণায় দেখা গেছে যে, লেবু সুগন্ধি গ্রাণ স্ট্রেস হরমোন হ্রাস করে যা খিটখিটে মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করে। লেবু মধ্যে ভিটামিন এবং পটাসিয়াম থাকে।

    পটাসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে একটি বিশাল অংশ খেলে, এবং উচ্চ রক্তচাপ স্ট্রেস সম্পর্কিত নিয়ন্ত্রন করে।

    « এক নজরে দেখুন এই প্রতিবেদনে কি কি রয়েছে »

    লেবু লিভারের রোগ হওয়ার আশঙ্কা কমে

    একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, আপনি যখন নিয়মিত লেবু পানি খাবেন লিভারে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। ফলে লিভারের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে ।

    লেবু পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়

    লেবু পানির ভেতরে যে কেবল ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মজুত থাকে ঠিক তা নয়, সেই সঙ্গে উপস্থিত থাকে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম

    এবং আরও কত কী, যা দেহের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে শরীরকে শক্তপোক্ত রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    পেটের পিএইচ লেভেল ঠিক থাকে লেবু

    ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে লেবু পানি খেলে দেহের ভেতরে পি এইচ লেভেলের ভারসাম্য ঠিক থাকে। ফলে ভেতর এবং বাইরে থেকে শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না।

    টিবি রোগের চিকিৎসা

    সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্রে এমনটা দাবি করা হয়েছে, টিবি রোগের চিকিৎসার লেবুর উপকারিতা অনেক।

    লেবুর মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যদি খাওয়া যায়, তাহলে ওষুধের কর্মক্ষমতা মারাত্মক বৃদ্ধি পায়। ফলে রোগের প্রকোপ কমতে সময়ই লাগে না।

    রোগ প্রতিরোধ

    রোগ প্রতিরোধ

    বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন লেবু পানি খাওয়া শুরু করলে দেহের বেতরে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এত মাত্রায় শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

    ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে

    ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে

    বিশেষজ্ঞদের মতে, হাজারো বিউটি প্রডাক্ট যা করতে পারেনি, তা লেবু পানি নিমেষে করে ফেলতে পারে। আসলে এই পানীয়তে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান ত্বকের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনে।

    সেইসঙ্গে ত্বকের বয়স কমানোর পাশাপাশি ব্ল্যাক হেডস এবং বলিরেখা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    প্রসঙ্গত, গরমকালে ত্বককে ঠাণ্ডা এবং ঘামমুক্ত রাখতে লেবুর পানি দিয়ে বারে বারে মুখটা ধুতে পারেন, দেখবেন ব্রণ তেলচে ভাবও কমে যাবে।

    ওজন হ্রাস পায়

    ওজন হ্রাস পায়

    নিয়মিত লেবু পানি খেলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্তি মেদ ঝরে যেতে একেবারেই সময় লাগে না।

    কারণ লেবুর বেতরে উপস্থিত পেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়।

    আরো পড়ুন: নিয়মিত শারীরিক মিলনের ৪০টি উপকারিতা

    আর যেমনটা আপনাদের সবারই জানা আছে, কম মাত্রায় খাবার খেলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে কম মাত্রায় ক্যালরির প্রবেশ ঘটে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনও সুযোগই পায় না।

    এনার্জির ঘাটতি দূর হয়

    এনার্জির ঘাটতি দূর হয়

    ঘুম থেকে উঠে চা বা কফি না খেয়ে প্রতিদিন এক গ্লাস করে লেবুর পানি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এমনটা করলে দেখবেন শরীর চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

    আসলে লেবুর ভেতরে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর দেখা যায় যে, সকাল সকাল শরীর এবং মস্তিষ্ক চাঙ্গা হয়ে গেছে।

    আরো পড়ুন: ডায়াবেটিস চিকিৎসা নিয়ে সব সমাধান একসাথে (২০১৯)

    তাছাড়া, আপনি যখনি ক্লান্তিবোধ করতেছেন তৎখানিক একগ্লাস লেবুর সরবত খেলে লেবুর উপকারিতা পাবেন।

    শ্বাস কষ্টের মতো সমস্যা কমে

    শ্বাস কষ্টের মতো সমস্যা কমে

    যারা অ্যাস্থেমা বা কোনও ধরনের রেসপিরেটরি প্রবলেমে ভুগছেন তারা যত শীঘ্রই সম্ভব রোজের ডায়েটে লেবুর পানিকে অন্তর্ভুক্ত করুন।

    দেখবেন কেমন ফল পান! আসলে এই পানীয়টি শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত একাধিক জটিলতাকে কমিয়ে ফেলতে দারুন কাজে আসে

    স্ট্রেস কমায়

    স্ট্রেস কমায়

    একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে, নিয়মিত লেবুর পানি খেলে স্ট্রেস একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে অবসাদের প্রকোপও কমে।

    আসলে লেবু পানিতে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। যে কারণে এমন সব সমস্যা নিমেষে কমে যেতে শুরু করে।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে

    লেবু পানিতে থাকে প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    তাই তো এমন রোগে যারা বহু দিন ধরে ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকাল-বিকাল লেবু পানি খাওয়া শুরু করুন, দেখবেন দারুন ফল পাবেন।

    তবে এমনটা করার আগে একবার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে ভুলবেন না যেন।

    পেটের স্বাস্থ্যের প্রকোপ কমে

    পেটের স্বাস্থ্যের প্রকোপ কমে

    যারা বদ হজম, কনস্টিপেশন, বারংবার পেট খারাপসহ নানাবিধ পেটের রোগে ভুগে থাকেন তারা প্রতিদিন সকালে গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়া শুরু করুন।

    আরো পড়ুন: হার্ট অ্যাটাক (Heart Attack) এর লক্ষণ ও মুক্তির ৩০টি সমাধান

    এমনটা করলে স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ ঠিক মতো হতে শুরু করবে। ফলে রোগের প্রকোপ তো কমবেই, সেই সঙ্গে শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর উপাদান বা টক্সিনও বেরিয়ে যাবে।

    মুখ গহ্বরের নানা রোগ নিমেষে সেরে যায়

    মুখ গহ্বরের নানা রোগ নিমেষে সেরে যায়

    মুখ থেকে খুব দুর্গন্ধ বেরয়? এদিকে নানা কিছু করেও সুরাহা মিলছে না? তাহলে আজ থেকেই লেবু পানি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন বদ গন্ধ একেবারে কমে যাবে।

    শুধু তাই নয়, মাড়ি থেকে রক্ত পাত এবং দাঁতে যন্ত্রণা হওয়ার মতো সমস্যা হলেও এই ঘরোয়া পদ্ধতিটিকে কাজে লাগাতে পারেন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন।

    সংক্রমণের প্রকোপ কমে

    সংক্রমণের প্রকোপ কমে

    লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ। তাই তো লেবু পানি যে কোনও ধরনের সংক্রমণ, বিশেষত গলার সংক্রমণ কমাতে দারুনভাবে সাহায্য় করে থাকে। এক্ষেত্রে লেবু পানি দিয়ে গার্গেল করলেই উপকার পাওয়া যায়।

    লেবুর উপকারিতা কি?

    লেবুর উপকারিতা কি?
    • লেবুতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। আর ভিটামিন সি ঠাণ্ডা কাঁশি প্রতিরোধে খুবই উপকারী।
    • লেবুতে থাকে ইলেকট্রোলাইটস ( যেমন পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি)। লেবু-জল আপনাকে হাইড্রেট করে, শরীরে যোগান দেয় এইসব প্রয়োজনীয় উপাদানের।
    • অন্য যে কোনো খাবারের থেকে লেবু-জল ব্যবহারে লিভার অনেক বেশী পরিমানে, দেহের প্রয়োজনীয় এনজাইম তৈরি করতে পারে।
    • লেবুতে বিদ্যমান ফ্ল্যাবোনয়েড যা শরীরে ভাইরাস প্রতিরোধ করে, এটি শরীরকে ফিট রাখে। শরীরের পিএইচ লেভেল উন্নত করে। পিএইচ লেভেল যত উন্নত, শরীর রোগের সাথে লড়াই করতে তত সক্ষম।
    • লেবুর রস ও গরম পানি একসাথে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে পান করলে অন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমিয়ে ফেলে।
    • এটি রুটিন অনুযায়ী খেলে চোখের অসুখ দূর হয়।
    • হাড় জয়েন্ট ও ম্যাসল এর ব্যথা দ্রুত কমায়।
    • লেবুতে আছে ক্যান্সার বিরোধী ২২ প্রকার যৌগ। যা ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
    • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
    • বুক-জ্বালা দূর করে।
    • লেবু অন্ত্রের কৃমি ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
    • যাঁরা লিভারের সমস্যায় ভুগছেন দীর্ঘদিন, তাঁরা লেবু খাবেন নিয়ম করে। উষ্ণ কিংবা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে সকালে খাবারের আধা ঘণ্টা আগে খেয়ে নিন, উপকৃত হবেন।
    • মুখের রুচি বাড়াতে লেবুর জুড়ি নেই।

    আরো পড়ুন: আল্লাহর কাছে যাদের দোয়া কবুল হয়, অনেকের কেন হয় না?

    • লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড। যা, আপনার হজম-তন্ত্রকে উন্নত রাখে। এটা মেটাবলিজম বা হজমশক্তি বাড়ায়। ভূরিভোজের পর লেবু খেয়ে নিন। খাবারগুলো সহজে হজম হয়ে যাবে এবং পেট ফাঁপায় ওষুধের মতো কাজ করবে।
    • ওজন দ্রুত কমাতে সহায়তা করে। লেবুতে থাকে পেকটিন-ফাইবার যা খিদে নিয়ন্ত্রণ করে।
    • পেট পরিষ্কার ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হতে সহায়তা করে। এটি শরীরের রক্তবাহী ধমনী ও শিরাগুলিকে পরিষ্কার এ শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখে।
    • লেবু ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। লেবু-জল টক্সিক উপাদান দূর করে লিভারকে পরিষ্কার রাখে। স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। দাঁত ব্যথা কমায়।
    • ৪/১ লেবুর রস, কিছু লবণ এবং লেবুর রসের অর্ধেক পরিমাণ বেকিং সোডা নিয়ে দাঁতে ঘষুন। এটি আপনার দাঁত আরও সাদা করবে।
    • মুখের দুর্গন্ধ দূর করে দীর্ঘক্ষণ সজীব রাখে। শরীরের রিঙ্কেল কমাতে সাহায্য করে।
    • আপনার নার্ভাস-সিস্টেমে দারুণ কাজ করে। লেবু-জলের পটাশিয়াম আপনার বিষণ্ণতা ও উৎকণ্ঠা দূর করতে সহায়ক।
    • কিডনী ও পাকস্থলীর পাথর দূর করতে অসাধারণ কার্যকর। লেবু ইউরিক অ্যাসিড সমস্যা দূর করতে সহায়ক।
    • গর্ভবতী নারীদের জন্য খুবই ভালো লেবু-জল । এটা শুধু গর্ভবতীর শরীরই ভালো রাখে না, বরং গর্ভের শিশুর অনেক বেশী উপকার করে। লেবুর ভিটামিন ‘সি’ ও পটাশিয়াম শিশুর হাড়, মস্তিষ্ক ও দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে।
    • যাঁদের হালকা শ্বাসকষ্ট আছে, তাঁরা নিয়ম করে খাবারের আগে এক চামচ লেবুর রস খেতে পারেন। যাঁরা মাইল্ড অ্যাজমায় ভুগছেন, লেবুর রস তাঁদের জন্য ওষুধের বিকল্প হিসেবেই কাজ করবে।
    • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় আপনার দেহের কোষ ও ত্বককে অকাল বার্ধক্যের হাত থেকে রক্ষা করে। এটি ত্বকের সংকোচন সৃষ্টিকারী পদার্থকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
    • লেবুর রস চুলের দারুণ লাইটেনার হিসেবে করে। কোনো কিছু দেয়ার প্রয়োজন নেই। লেবুর রস চুলে দিয়ে নিন। এতে সূর্যের তাপ মাথাকে গরম করতে পারবে না।
    • জেল ম্যানিকিউর নখকে দুর্বল করে দেয়। এতে নখ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। লেবুর রস অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে তাতে নখ ভিজিয়ে রাখুন। এতে ক্ষয়প্রাপ্ত নখ সুন্দর ও সুস্থ হয়ে উঠবে।
    • শীতের শুষ্ক ঠোঁটে যেমন চামড়া ওঠে, আপনার ঠোঁট তেমন হয়ে থাকলে লেবুই ভরসা। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে লেবুর রস ঠোঁটে দিয়ে ঘুমিয়ে যান। এতে আপনার অধর হবে স্ফীত, কোমল ও মসৃণ।
    • চুলে তেল দিতে হয়। কিন্তু শ্যাম্পু করার পরও তাতে তেল চিটচিটে ভাব থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে লেবুর রস বিস্ময়কর কাজ দেয়। লেবুর রসে অ্যাসট্রিনজেন্ট রয়েছে, যা তেলতেলে অংশ শুষে নেয়। চুল হয় ঝরঝরে।
    • শুষ্ক চুলের কন্ডিশনারঃ লেবুর রস, ৩/৪ কাপ অলিভ অয়েল, ১/২ কাপ মধু, দিয়ে একটি প্যাক তৈরী করে চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পরে শ্যাম্পু করুন। এটি চুলকে ড্যামেজ ফ্রি করবে।

      আরো পড়ুন: পিরিয়ড বা মাসিক নিয়ে আপনার প্রশ্নের ১০১টি সমাধান ✅
    • চুল পড়া বন্ধেঃ ৩-৪ টেবিল চামচ নারিকেল তেল নিয়ে তাতে অর্ধেক পরিমাণ লেবুর রস মিক্স করে সপ্তাহে একদিন চুলে লাগান। ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল দেখুন।
    • নতুন চুল গজাতেঃ কয়েক ফোঁটা লেবুর রস এবং আমলকীর রস মিক্স করে প্রতিদিন রাতে স্ক্যাল্পে লাগিয়ে নিন এবং সকালে ধুয়ে ফেলুন।
    • খুশকির সমস্যা সমাধানে কাগুজি লেবু ,মেথি বা পেঁয়াজের রস ব্যবহার করতে পারেন।
    • লেবুতে ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক এসিড রয়েছে। এই রস শুধু ত্বকের তেলতেলে ভাবই দূর করে না, সেই সঙ্গে ত্বককে উজ্জ্বল করে দেয়। তবে এই ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতে এসপিএফ ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।
    • বয়সের ছাপ পড়ে বলিরেখার মাধ্যমে। তা ছাড়া অনেকের এমনিতেই বলিরেখা পড়তে পারে। লেবুর রস এই বলিরেখা দূর করতে দারুণ কার্যকর। রেখাগুলোতে লেবুর রস দিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন এবং ধুয়ে ফেলুন।
    • মানুষের কনুই এবং হাঁটুর অংশটি খসখসে হয়। এই অংশ দুটিকে মসৃণ এবং সুন্দর করে দেয় লেবুর রস। এক টেবিল চামচ লবণ, সামান্য অলিভ ওয়েল এবং কিছু লেবুর রস মিশিয়ে লাগান। দেখুন জাদুর মতো কাজ করবে।
    • যাদের ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের অভাব রয়েছে তারা কয়েক ফোঁটা ডাবের পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে ঘষুন। দেখবেন, ত্বক সুন্দর কোমল হয়েছে। আবার লেবুর রসে তা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
    • ডিওডরেন্ট ব্যবহার না করলেও চলবে। লেবুর রসে সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে যা বাজে গন্ধ হটিয়ে দেয়। তাই দুর্গন্ধের স্থানে লেবুর রস মেখে নিন। দুর্গন্ধ চলে যাবে।
    • নাকের ওপর বা ত্বকে ব্ল্যাক হেড সৌন্দর্য হানি ঘটায়। লেবুর রস এসব ব্ল্যাক হেডের গোড়া নরম করে তাদের তুলে আনে। লেবুর রসের সঙ্গে আর কিছু মেশানোর প্রয়োজন নেই। বেশ ভালো করে ত্বকে রস দিয়ে ঘষুন।
    • মুখের শ্রী বৃদ্ধি করার জন্য এক টুকরো লেবুর রসের সঙ্গে দুই চামচ দুধ মিশিয়ে তুলার সাহায্যে মুখে প্রলেপ লাগান। ১৫ – ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলু্ন।
    • যাদের মুখে ব্রণ আছে তারা একটি ছোট তুলার বলে লেবুর রস নিয়ে স্কিন পরিষ্কার করলে ব্রণ কমে যায়। এটি রাতে মুখ ধোয়ার পর ব্রণের দাগে লাগিয়ে রাখলে দাগ তাড়াতাড়ি সেরে যায়।
    • লেবুর রস রস একটি প্রাকৃতিক অ্যানটিসেপ্টিক, যদি এটি মুখে মাস্ক হিসেবে নেয়া হয় তবে এটি স্কিনের অতিরিক্ত তেল ময়লা দূর করবে এবং ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ হতে দূরে রাখবে।
    • অন্যান্য ব্যবহারঃ মাইক্রোওভেন পরিষ্কার করতে লেবুর খোসা ব্যবহার করা হয়।
    • রান্নাঘর, খাবার টেবিল, ষ্টোভ, এর তেলের দাগ পরিষ্কার করতে অর্ধেক পরিমাণ লেবু এবং লবণ নিয়ে তৈলাক্ত স্থানে কিছুক্ষণ ঘষে নিন এরপর পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।
    • চপিং বোর্ড পরিষ্কার করতে লেবু ব্যবহার করতে পারেন। ঘরে যদি চিনি কাঁকুড়ে হয়ে যায় তবে লেবুর খোসা ব্যবহার করে দেখুন।

      আরো পড়ুন: যে ১০টি খাবার সিগারেটের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর!
    • শুনতে আজব লাগলেও মশা তাড়াতে বেশ কার্যকর লেবু। এজন্য লেবুকে দুইভাগ করে কেটে নিয়ে কাটা অংশে লবঙ্গ গেঁথে নিতে হবে। তারপর ঘরের একটি স্থানে রেখে দিন। মশার উপদ্রব থেকে দূরে থাকা যাবে।
    • পিঁপড়া দূর করতে কয়েক টুকরা লেবুর খোসা জানালার কোণে, দরজার কোণে বিশেষ করে যেখান দিয়ে পিঁপড়া এবং অন্যান্য পোকামাকড় আসে সেদিকে রেখে দিন।

      দেখবেন পিঁপড়া তেমন একটা আসছে না। কারণ পিঁপড়া এবং অন্যান্য পোকামাকড় লেবুর গন্ধ একদম সহ্য করতে পারে না।
    • ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে একটি বা দুটি লেবুর খোসা রেখে দিলে দেখা যায়, ফ্রিজের ভেতরের দুর্গন্ধ দূর হয়ে গেছে।

    লেবুর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

    লেবুর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

    যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে তাদের অতিরিক্ত লেবু খেলে বুক জ্বালা করে।

    লেবুর রস বা লেবুতে কারো কারো অ্যালার্জি হয়ে থাকে, তাই আগে থেকে জেনে নিয়ে লেবু চিকিৎসা শুরু করা উচিত ৷ তা না হলে পরে বিপরীত হতে পারে৷

    ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে খাদ্যাভ্যাসে লাগাম টানা হলে কার্বোহাইড্রেট এবং অন্যান্য পুষ্টিগুণের অভাব দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে লেবু পানি পানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে শরীরে ক্লান্তি ভর করতে পারে।

    অতিরিক্ত লেবু সেবনে গ্যাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এতে পেট ফাঁপাসহ নানান ধরনের সমস্যা ও অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে।

    অতিরিক্ত লেবু ও লেবুর শরবত পানের ফলে পেটে ব্যথা এবং তল পেটে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

    লেবুর শরবত বেশি পান করলে শরীর থেকে অনবরত বিষাক্ত পদার্থ বের করতে থাকে। এতে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশিবার বাথরুমে যেতে হতে পারে যা কিছু ক্ষেত্রে বেশ অস্বস্তিকর।

    লেবুর শরবত বেশি পান করলে কিছুটা দুর্বলতা অনুভূত হতে পারে।

    যে কোনো মানুষের পরিমিত লেবু খাওয়া স্বাস্থের জন্য ভালো কিন্তু অতিরিক্ত লেবু স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর।

    শক্তি বৃদ্ধি

    শক্তি বৃদ্ধি

    লেবুর রস পরিপাক নালীতে প্রবেশ করে শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে। এটি মানসিক চাপ কমাতে ও মেজাজ ফুরফুরা করতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।  

    কিডনির পাথর

    কিডনির পাথর

    লেবুতে উপস্থিত লবণ বা সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনিতে ‘ক্যালসিয়াম অক্সালেট’ নামক পাথর গঠনে বাধা দেয়। সবচেয়ে সাধারণ কিডনি পাথরগুলোর মধ্যে এটি একটি।  

    লিভার পরিষ্কার রাখে

    লিভার পরিষ্কার রাখে

    লেবুতে বিদ্যমান সাইট্রিক অ্যাসিড কোলন, পিত্তথলি ও লিভার থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করতে সাহায্য করে।  

    ভাইরাসজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ

    ভাইরাসজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে লেবুর রস।  

    হজমে সাহায্য করে

    লেবুর রস হজমে ব্যাপক সাহায্য করে। সেইসঙ্গে পরিপাক নালী থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়।এটি কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে।  

    আরো পড়ুন: গুজব নয়, প্রতি বছর সে দেশে আকাশ থেকে ঝরে পড়ে লাখ…

    ত্বক পরিষ্কার করে

    লেবুতে উপস্থিত ভিটামিন ‘সি’ ত্বকের কোষের ক্ষয় প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। শুধু তাই নয়, এই উপাদান শরীরে কোলাজেন তৈরি করে। যা মুখের অবাঞ্ছিত দাগ দূর করে উজ্জলতা ফিরিয়ে আনে।  

    ওজন হ্রাস

    লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ রয়েছে। যা ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ফ্যাট বা মেদ আছে তারা খালি পেটে লেবুর রস খেলে, তাদের ওজন দ্রুত হ্রাস পায়।

    এবং ওজন বৃদ্ধি বা চর্বিযুক্ত ফ্যাট নিয়ে চিন্তা না করে প্রতিদিন সকালে লেবুর রস খান।  

    মূত্রনালীর সংক্রমণ দূর

    যদি মূত্রনালীতে সংক্রমণ ঘটে। তাহলে প্রচুর পরিমাণে লেবুর রস পান করুন। এটি আরোগ্য লাভে সাহায্য করবে।  

    চোখের স্বাস্থ্য

    চোখের স্বাস্থ্য

    লেবুর রস চোখের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ করে এবং চোখের সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করে।  

    ক্যান্সার প্রতিরোধে

    লেবু অনেক ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে এর জুড়ি মেলা ভার।

    ব্রণ সারাতে

    মুখের ব্রন এবং ব্রনের দাগ সরানোর জন্য লেবুর রস ত্বকে মাখা একান্ত দরকার। তৈলাক্ত ত্বকে ব্রনের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।

    লেবু কিংবা গাজরের রস অল্প একটু চিনির সঙ্গে মিশিয়ে খেলে এর হাত থেকে সহজেই রেহাই পাওয়া যায়।

    নখের যত্নে

    নখের যত্নে

    জেল ম্যানিকিউর নখকে দুর্বল করে দেয়। এতে নখ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। লেবুর রস থাকতে ভয় নেই। অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে তাকে নখ ভিজিয়ে রাখুন। এতে ক্ষয়প্রাপ্ত নখ সুন্দর ও সুস্থ হয়ে উঠবে।

    ঠোঁটের যত্নে

    ঠোঁটের যত্নে

    শীতের শুষ্ক ঠোঁটে যেমন চামড়া ওঠে, আপনার ঠোঁট তেমন হয়ে থাকলে লেবুই ভরসা। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে লেবুর রস ঠোঁটে দিয়ে ঘুমিয়ে যান। এতে আপনার অধর হবে স্ফীত, কোমল ও মসৃণ।

    আরো পড়ুন: আজকের জোকস : সুন্দরী মেয়েরা সবসময় হিংসুটে হয়

    তেল চিটচিটে ভাব দূর করত

    চুলে তেল দিতে হয়। কিন্তু শ্যাম্পু করার পরও তাতে তেল চিটচিটে ভাব থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে লেবুর রস বিস্ময়কার কাজ দেয়। লেবুর রসে অ্যাসট্রিনজেন্ট রয়েছে, যা তেলতেলে অংশ শুষে নেয়। চুল হয় ঝরঝরে।

    ত্বকের যত্ন

    ত্বকের যত্ন

    লেবুতে ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক এসিড রয়েছে। এই রস শুধু ত্বকের তেলতেলে ভাবই দূর করে না, সেই সঙ্গে ত্বককে উজ্জ্বল করে দেয়।

    বলিরেখা দূর করতে

    বলিরেখা দূর করতে

    বয়সের ছাপ পড়ে বলিরেখার মাধ্যমে। তা ছাড়া অনেকের এমনিতেই বলিরেখা পড়তে পারে। এসব বলিরেখা দূর করতে মানুষ কতো পয়সা খরচ করে দামি দামি ক্রিম ব্যবহার করেন।

    আরো পড়ুন; ফেসবুকের পরে এবার দেশে তৈরি হলো ‘হার্টসবুক’

    কিছুটা কাজ হলেও নানা রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অথচ লেবুর রস এই বলিরেখা দূর করতে দারুণ কার্যকর। রেখাগুলোতে লেবুর রস দিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন এবং ধুয়ে ফেলুন।

    দাঁতের যত্নে

    দাঁতের যত্নে

    দাঁতের যত্নে ভালো পেস্টের চেয়েও ভালো কাজ করে লেবুর রস। অল্প পরিমাণ বেকিং সোডার সঙ্গে কিছু লেবুর রস মিশিয়ে পেস্টের মতো বানান। তার পর দাঁত মেজে দেখুন কী ফল দাঁড়ায়।

    কনুই-হাঁটুর যত্নে

    কনুই-হাঁটুর যত্নে

    মানুষের কনুই এবং হাঁটুর অংশটি খসকসে হয়। এই অংশ দুটিকে মসৃণ এবং সুন্দর করে দেয় লেবুর রস।

    এক টেবিল চামচ লবণ, সামান্য অলিভ ওয়েল এবং কিছু লেবুর রস মিশিয়ে লাগান। দেখুন জাদুর মতো কাজ করবে।

    ময়েশ্চারাইজার হিসেবে

    ময়েশ্চারাইজার হিসেবে লেবুর উপকারিতা

    যাদের ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের অভাব রয়েছে তারা কয়েক ফোঁটা ডাবের পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে ঘষুন। দেখবেন, ত্বক সুন্দর কোমল হয়েছে। আবার লেবুর রসে তা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

    মুখের দুর্গন্ধ

    মুখের দুর্গন্ধ

    পারফিউম ব্যবহার না করলেও চলবে। লেবুর রসের সাইট্রিক এসিড থাকে যা বাজে গন্ধ হটিয়ে দেয়। তাই দুর্গন্ধের স্থানে লেবুর রস মেখে নিন। দুর্গন্ধ চলে যাবে।

    আরো পড়ুন: ২০০টি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস: যা আমাদের প্রতিনিয়ত দরকার

    ব্ল্যাকহেড দূর করতে

     ব্ল্যাকহেড দূর করতে

    নাকের ওপর বা ত্বকে ব্ল্যাক হেড সৌন্দর্য হানি ঘটায়। লেবুর রস এসব ব্ল্যাক হেডের গোড়া নরম করে তাদের তুলে আনে।

    লেবুর রসের সঙ্গে আর কিছু মেশানোর প্রয়োজন নেই। বেশ ভালো করে ত্বকে রস দিয়ে ঘষুন।

    সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে

     ব্ল্যাকহেড দূর করতে

    মুখের শ্রী বৃদ্ধি করার জন্য এক টুকরো লেবুর রসের সঙ্গে দুই চামচ দুধ মিশিয়ে তুলার সাহায্যে মুখে প্রলেপ লাগান। ১৫ – ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলু্ন।

    চুলের যত্নে

    চুলের যত্নে লেবু

    লেবুর রস চুলের দারুণ লাইটেনার হিসেবে করে। কোনো কিছু দেয়ার প্রয়োজন নেই। লেবুর রস চুলে দিয়ে নিন। এতে সূর্যের তাপ মাথাকে গরম করতে পারবে না।

    কিডনির পাথর

    লেবুতে উপস্থিত লবণ বা সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনিতে ‘ক্যালসিয়াম অক্সালেট’ নামক পাথর গঠনে বাধা দেয়। সবচেয়ে সাধারণ কিডনি পাথরগুলোর মধ্যে এটি একটি।

    হজমে সাহায্য করে

    লেবুর রস হজমে ব্যাপক সাহায্য করে। সেইসঙ্গে পরিপাক নালী থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়।এটি কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে।

    ক্যান্সার প্রতিরোধে

    ক্যান্সার প্রতিরোধে

    লেবু অনেক ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে এর জুড়ি মেলা ভার।

    ক্ষারের সমন্বয়

    শরীরে হাইড্রোজেনের পরিমাণের উপর অনেকাংশে সুস্থতা নির্ভর করে। সর্বমোট পিএইচ বা পাওয়ার অফ হাইড্রোজেন স্কেল হল ১ থেকে ১৪।

    মানবদেহে ৭ মাত্রার পিএইচ থাকা স্বাভাবিক। এর থেকে কম বা বেশি হলে শরীরে রোগের বিস্তার হতে পারে। অ্যাসিডিক বা ক্ষারীয় ফল হলেও লেবু মানবদেহে পিএইচ’য়ের মাত্রা সমন্বয় করতে সাহায্য করে।

    বিশেষ করে যারা বেশি মাংস, পনির বা অ্যালকোহল গ্রহণ করেন তাদের জন্য লেবু সবচেয়ে বেশি উপকারী।

    রক্তবাহী ধমনী ও শিরাগুলোকে পরিষ্কার

    লেবু পানি শরীরের রক্তবাহী ধমনী ও শিরাগুলোকে পরিষ্কার রাখে।

    গর্ভবতী নারী ও গর্ভের সন্তানের জন্য ভীষণ উপকারি

    গর্ভবতী নারীদের জন্য খুবই ভালো লেবু পানি। এটা শুধু নারীর শরীরই ভালো রাখে না। বরং গর্ভের শিশুর অনেক বেশী উপকার করে।

    লেবুর ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম শিশুর হাড়, মস্তিষ্ক ও দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে। মাকেও গরভকালে রোগ বালাই থেকে দূরে থাকে।

    বুক জ্বলা পড়া দূর করে

    যাদের এই সমস্যা আছে রোজ আধা কাপ পানির মাঝে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।

    আরো পড়ুন: অনেক্ষন বীর্য ধরে রাখার উপায় :এই ৪০টি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি দেখুন ✅

    ওজন দ্রুত কমাতে

    ওজন দ্রুত কমাতে সহায়তা করে। লেবুতে থাকে পেকটিন ফাইবার যা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে।

    সঠিক উপায়ে পানের নিয়ম

    প্রথমে চিনি ছাড়া এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবুর রস মেশান। লেবুর রস বের করার জন্য জুসারও ব্যবহার করতে পারেন। এ থেকে লেবুর কিছু তেলও বের হবে যা কাজে লাগবে।

    অবশ্যই ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পান করবেন। সকালের নাশতার এক ঘণ্টা আগে খাওয়া ভালো। দীর্ঘমেয়াদি লেবুর উপকারিতা পেতে নিয়মিত লেবু পান করতে পারেন।

    তবে যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এ পানীয় পান করবেন।

    লেবুর উপকারিতা

    ১) লেমন, অর্থাৎ পাকা লেবুতে থাকে ইলেকট্রোলাইটস ( যেমন পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি)। সকাল সকাল লেবু পানি আপনাকে হাইড্রেট করে, শরীরে যোগান দেয় এইসব প্রয়োজনীয় উপাদানের।

    ২) হাড় জয়েনট ও মাসল পেইন কমায় দ্রুত।

    ৩) লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড। সকাল সকাল উষ্ণ পানির সাথে পান করলে সেটা আপনার হজমতন্ত্রকে উন্নত করে সমস্যা রাখে দূরে।

    ৪) অন্য যে কোন খাবারের চাইতে লেবু পানির ব্যবহারে লিভার অনেক বেশী দেহের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম তৈরি করতে পারে।

    ৫) লেবু পানি টক্সিক উপাদান দূর করে লিভারকে পরিষ্কার রাখে।

    আরো পড়ুন: হাদীসের আলোকে স্বামী স্ত্রীর মিলন; সহবাসের নিয়ম ও পদ্ধতি

    ৬) পেট পরিষ্কার ও ভালো টয়লেট হতে সহায়তা করে।

    ৭) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

    ৮) আপনার নার্ভাস সিস্টেমে দারুণ কাজ করে। সকাল সকাল লেবুর পটাশিয়াম আপনার বিষণ্ণতা ও উৎকণ্ঠা দূর করতে সহায়ক।

    ৯) লেবু পানি শরীরের রক্তবাহী ধমনী ও শিরাগুলোকে পরিষ্কার রাখে।

    ১০) উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে।

    ১১) শরীরের পি এইচ লেভেল উন্নত করে। পি এইচ লেভেল যত উন্নত, শরীর রোগের সাথে লড়াই করতে তত সক্ষম।

    ১২) ইউরিক এসিড সমস্যা দূর করতে সহায়ক।

    ১৩) আপনার ত্বককে কর তোলে সুন্দর ও পরিষ্কার।

    ১৪) বুক জ্বলা পড়া দূর করে। যাদের এই সমস্যা আছে রোজ আধা কাপ পানির মাঝে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।

    ১৫) কিডনী ও প্যানক্রিয়াসের পাথর দূর করতে অসাধারণ কার্যকর।

    ১৬) ওজন দ্রুত কমাতে সহায়তা করে। লেবুতে থাকে পেকটিন ফাইবার যা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে।

    ১৭) গর্ভবতী নারীদের জন্য খুবই ভালো লেবু পানি। এটা শুধু নারীর শরীরই ভালো রাখে না। বরং গর্ভের শিশুর অনেক বেশী উপকার করে।

    লেবুর ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম শিশুর হাড়, মস্তিষ্ক ও দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে। মাকেও গরভকালে রোগ বালাই থেকে দূরে থাকে।

    ১৮) দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। দাঁত ব্যথা কমায়।

    ১৯) ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

    ২০) মেটাবলিজম বা হজমশক্তি বাড়ায়। এতে ওজন কমাতেও প্রভাব পড়ে।

    আরো পড়ুন: স্ত্রী ব্রা খুললেই স্বামী হওয়া যায় না!

    কীভাবে লেবু পান করবেন?

    কীভাবে লেবু পান করবেন?

    সকালে খালি পেতে এক গ্লাস লেমন বা পাকা লেবুর রস মেশানো হালকা গরম পানি পান করুন। চাইলে সাথে যোগ করতে পারেন মধু। বড় লেবু হলে ১/২টি ও ছোট হলে একটি লেবুর রস মিশিয়ে নিন।

    ছোট খুঁজছেন চামড়া হাইড্রয়েড ত্বক সুখী ত্বক, তাই আরো পানি পান ভেতরে থেকে যে শিশির চেহারা অর্জন করার জন্য একটি মহান শুরু।

    হাইড্রয়েড ত্বক শুধুমাত্র তীব্র এবং মসৃণ থাকার না, এটি ঘাম মাধ্যমে বিষাক্ত নিষ্কাশন বহন করার সুযোগ আছে। সেগুলি লেবুগুলিতে ভিটামিন সি আরও ত্বককে কমাতে সাহায্য করে।

    যা আপনাকে পুরোনো দেখায়, সেইসাথে কোলাজেন এবং এলাস্টিনের উৎপাদনকে সমর্থন করে। লেবুর জল একটি যৌবন চেহারা সংরক্ষণ করার জন্য একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হতে পারে।

    দ্রুত বিপাক কিছু লোক সকালে পানির গরম পানিতে প্রথমবার শপথ গ্রহণ করে যাতে পাচক সিস্টেমটি চালু হয়।

    আরো পড়ুন: বিয়ে বাড়িতে যে কয়েকটি বদ্রতা আপনার মেনে চলা উচিত!

    আসলে কোন প্রমাণ নেই যে পানিতে লেবু যোগ করলে বড় পার্থক্য হয়, কিন্তু খালি পেটে পানি সাধারণত বিশ্রামের পরে আপনার বিপাক গ্রহণ করতে সহায়তা করে। এটি কারণ হিসাবে দাঁড়িয়ে আট ঘন্টা চলার পরে, এটা অবিলম্বে reghydrated পেতে গুরুত্বপূর্ণ।

    পর্যাপ্ত পানি পান করাও কোষ্ঠকাঠিন্য বন্ধ করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই লেবু যোগ করলেই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পানি পান করার সম্ভাবনা বেশি হয়, তার জন্য যান।

    লেবুর উপকারিতা সমূহ

    আরামদায়ক শ্বাস লিমন একটি পরিষ্কার জিনিস যা সব ধরণের পরিষ্কার পণ্য। এটা odors নিরপেক্ষ করতে সাহায্য করে।

    পেঁয়াজ, রসুন, নীল পনির, বা মাছের মতো লিংকিং খাবারগুলি থেকে আপনার খারাপ শ্বাস শেষ করার প্রয়োজন হলেও একই নীতি প্রয়োগ করা হয়। লেবু এছাড়াও লালা উত্পাদন উদ্দীপিত।

    এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ অতিরিক্ত শুকনো ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির কারণে শুষ্ক মুখ খারাপ হয়ে যায়। আপনার সকালে শ্বাস সম্পর্কে চিন্তা করুন এবং আপনি কি বুঝবেন তা আমরা জানতে পারব।

    কোন কিডনি পাথর কিডনি পাথর মূলত ক্যালসিয়াম আমানত, এবং বিশেষজ্ঞরা তাদের উন্নয়নশীল ঝুঁকি কমাতে আরো সাইট্রিক অ্যাসিড পেতে সুপারিশ।

    একটি সাইট্রাস ফল হিসাবে, লেবু সাইট্রিক অ্যাসিড একটি মহান উৎস। আপনার কিডনিগুলি স্বাস্থ্যকর রাখতে আরও বেশি পানি দরকার, তাই এখানে কম্বো পাথরের প্রবণতার জন্য একটি ভাল বাজি।

    আরো পড়ুন: আপনার শারীরিক দুর্বলতার মূল কারণগুলো জানেন কি?

    একদিনের মধ্যে মাত্র ½ কাপ লেবু রস পান করলে কিডনি পাথরের মানুষদের জন্য প্রেসক্রিপশন ওষুধের মতো একই পরিমাণ সিটরিক এসিড ধরা হবে।

    লেবু পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা

    ভারসাম্যপূর্ণ পিএইচ আমাদের দেহের ভিতরে ক্ষারীয় পরিবেশ থাকা স্বাস্থ্যকর কারণ ক্যান্সারের মতো রোগগুলি এসিডিক পছন্দ করে।

    এটি counterintuitive শব্দ কারণ lemons তাই অম্লীয়, কিন্তু তাদের খাওয়া আমাদের পাচক সিস্টেমের মধ্যে সঠিক alkaline-leaning pH ভারসাম্য অর্জন করতে সাহায্য করতে পারেন।

    কারণটি হ’ল সিট্রিক অ্যাসিড, একবার বিপাকযুক্ত, উত্পাদিত উপজাতীয় উত্পাদন করে। খেয়াল করুন যে ক্ষারীয় খাবার খেতে আমাদের রক্তে pH ভারসাম্যকে প্রভাবিত করে না, তবে বেশিরভাগই আমাদের প্রস্রাবে।

    রক্ত প্রবাহে পিএইচ পরিচালনা করতে কিডনি কাজ করে। এখনও, মূত্রস্থলীর স্বাস্থ্য গুরুত্বপূর্ণ! যাকে কখনও মূত্রনালীর সংক্রমণ, বা এমনকি খারাপ, মূত্রাশয় ক্যান্সার ছিল জিজ্ঞাসা করুন।

    Recent Articles

    Hands on: Beats PowerBeats Pro review

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    New standalone app for macOS to be Like iTunes

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    NASA spacecraft to collide a small moonlet in 2022

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    The Google Nest Hub Max soups up the smart display

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    Foldable iPhone 2020 release date rumours & patents

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    Related Stories

    Leave A Reply

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    Stay on op - Ge the daily news in your inbox