বিশ্বের অবাক করা ২০টি স্থাপত্য ও দর্শনীয় স্থানসমূহ!

508
ঠিক কবে থেকে মানুষ পৃথিবী নামক এই ছোট্ট গ্রহে বসবাস শুরু করেছে তা নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না। সময়ের রকম ফেরে মানুষের সৃষ্ট বিভিন্ন স্থাপনা হয়ে উঠেছে রহস্যময়। নিজের সৃষ্টিকে নিজেই অবাক হয়ে দেখেছে মানুষ। কিন্তু হাজার হাজার বছর আগে আধুনিক যন্ত্রপাতি ছাড়া কী করে মানুষ এমন সমস্ত ভাস্কর্য বা স্থাপনা  তৈরি করেছিল তা আজও বিস্ময় জাগায় মনে। আর যেখানে বিস্ময়, যেখানে মুগ্ধতা, যেখানে ভাবনার সীমাবদ্ধতা সেখানেই তো রহস্য। এমন কিছু রহস্যময় স্থাপনাকে নিয়েই আজকের এই আয়োজন।

চীনের মহাপ্রাচীর

চীনের প্রাচীর (গ্রেট ওয়াল অব চায়না) খুব ছোট বেলা থেকেই শুনে আসা একটা নাম। এটি পৃথিবীর সবচাইতে জনবহুল দেশ চীনে  অবস্থিত। পৃথিবীর এই আশ্চর্য ও দীর্ঘতম প্রাচীর এর দৈর্ঘ্যে প্রায় ২৬৯৫ কিলোমিটার এবং উচ্চতা ৪.৫৭ থেকে ৯.২ মিটার বা প্রায় ১৫ থেকে ৩০ ফুট। চওড়ায় প্রায় ৯.৭৫ মিটার বা ৩২ ফুট। এটি পৃথিবীর সপ্তাশ্চার্যগুলোর মধ্যে একটি। চীনের মহাপ্রাচীর নিয়ে কিছু গল্প প্রচলিত আছে। চাঁদ দেখা দেখা একমাত্র পৃথিবীর স্থাপনা নাকি এটা। এর উপর দিয়ে নাকি এক সাথে ১২ জোড়া ঘোড়া একসাথে চলতে পারতো।

দুবাইয়ের ১০টি অবিশ্বাস্য ও বিলাসবহুল দর্শনীয় স্থান!

ভিক্টোরিয়াজলপ্রপাত, জিম্বাবুয়ে

এই অপরূপ সুন্দর ঝরণাটি অবস্থিত জিম্বাবুয়ের বর্ডার ও জিম্বাজি নদীর কোলঘেঁষে। যদিও এই জলপ্রপাতটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কিংবা প্রশস্ত জলপ্রপাত নয় তবু এই উত্তেজনাপূর্ণ জলপ্রপাত ২ কিলোমিটার মাইল প্রায় দখল করে এবং ৩৫৪ ফুট উঁচু। প্রায় ২০ কিলমিটার দূর পর্যন্ত এটি রোমহর্ষক কুয়াশার সৃষ্টি করে যা কিনা ‘গুড়–ম ধোঁয়া’ নামে সেই অঞ্চলে পরিচিত। একজন স্কটিশ অনুসন্ধানকারীর নামের ব্যক্তি নামকরণ করেছেন। এই স্থানের পরিদর্শক আগে জিম্বাবুয়ের বেশি হতো, তবে আজকাল বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার পরিদর্শক এখানে বেড়াতে আসে। ট্রেন কিংবা বাস দিয়েও এই জলপ্রপাত দেখতে যাওয়া যায় এবং অনেক সস্তা।

বিশ্বের সবছেয়ে বড় জাহাজ; টাইটানিক থেকে ১০গুণ বড়!

মিশরের পিরামিড

পৃথিবীর সব রহস্য বিজ্ঞানের কাছে এসে ধরা দেয়নি। মিশরের পিরামিড মনে হয় এমনই এক রহস্য। এর কাঠামো আধুনিক বিজ্ঞানের সব শাখাতেই খুব গুরুত্বপূর্ণ । সব চেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে আর্কিটেকচারাল হিসেবে এ ধরনের কাঠামো সবচেয়ে ভূমিকম্প প্রতিরোধক এবং স্থায়ী হয়ে থাকে। বিশাল সব পাথর কি করে শত শত ফুট উপরে তোলা হয়েছিল জানে না কেউ। কেউ বলতে পারে না কি করে কাটা হয়েছিল পাথর গুলি। কারণ পাথরগুলি এত মসৃণ যে অতি উন্নত যন্ত্র ছাড়া যেটা একেবারেই সম্ভব নয়।  এছাড়াও মৃতদেহকে সংরক্ষণের জন্য তাঁরা বিশেষ ধরণের রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করত। পুরো ব্যাপারটা আজও আধুনিক বিজ্ঞানের কাছে এক ধোঁয়াশা।

স্ত্রী ব্রা খুললেই স্বামী হওয়া যায় না!

ভেনিস, ইতালি

ভেনিস একটি উপহৃত। ইতালির এই উপহৃতটি এবং এটা শুধু আশ্চর্যজনকই নয় বরং সংরক্ষকও বটে। ভেনিস তার এই সৌন্দর্য্য ৬০০ বছর ধরে রেখেছে। এ শহরে প্রায় ১১৮টি দ্বীপপুঞ্জ রয়েছে এবং অনেক অনেক পরিমাণে দর্শক এখানে ভিড় জমায় শুধু এর খ্যাতি ও অনেক সুন্দর জায়গার কারণে। শহরের সবচেয়ে প্রাচীনতম দেয়ালটি ৩২৫ ফিট উঁচু লম্বা ভিত্তি প্রস্তর। সাধারণত এটাতে লোকে লিফটের মাধ্যমের উঠে কিন্তু প্রাচীনকালে রোমান সম্রাট ৩য় ফ্রেডরিক ঘোড়ায় সওয়ার হতেন। সেন্ট মার্কের রাজপ্রাসাদ এবং সান মার্কো অন্যতম দুটি ভ্রমণ আকর্ষণ। সমালোচক এবং জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রী হাজার আকর্ষণের যে একটি বিশ্বখ্যাত বিলাসিতা গন্তব্য তাহলো ভেনিসের দ্য লিডো দি ভেনেজিয়া।

মা এখনো অংক বুঝেনা!

বুর্জ খলিফা, সংযুক্ত আরব আমিরাত

এই মুহূর্তে পৃথিবীর সব চেয়ে উঁচু অট্টালিকা হচ্ছে বুর্জ খলিফা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত দৈত্যাকার এই ইমারত। কি নেই এই ভবনে ? এ যেন পৃথিবীর সব আরাম আয়েশের মিলন মেলা।  এই  দালানের উচ্চতা প্রায় ৮১৮ মিটার । এই চমৎকার ভবনটির নির্মাণ কাজ ২০০৯ সালে সম্পন্ন হয় এবং ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হয়। দুবাই  আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভের পর এই বুর্জ খলিফা নির্মিত  হয় এবং ভবনটির কাজ শেষ হওয়ার পর স্থাপত্যের ক্ষেত্রে মানবজাতির শ্রেষ্ঠত্বের একটি বিশাল অর্জন অর্জিত হয়। এটি নিঃসন্দেহে আরব আমিরাতের সবচেয়ে দর্শনীয় এবং আকর্ষণীয় স্থান। তবে পর্যটকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় স্থান হলো এই ভবনের ১২৪ তলার উপরে প্রকৃতি দর্শনের জন্য পর্যবেক্ষণ ডেকটি। এখান থেকে পুরো দুবাই দেখা যায়।

কিভাবে চিনবেন অধিক চাহিদার যৌন আবেদনময়ী মেয়ে?

পেট্রোনাস টাওয়ার, মালয়েশিয়া

সুদূর মালয়েশিয়া গেলে মনে হয় এমন কেউ নেই যে এই বিল্ডিং এর বিশালতা দেখতে যায় না।  উচ্চতারদিক থেকে বর্তমান বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার টুইন টাওয়ার বা পেট্রোনাস টাওয়ার। তবে ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত এ টাওয়ারটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার ছিল। ৮৮ তলাবিশিষ্ট পেট্রোনাস টুইন টাওয়ারটির অবস্থান মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের কেন্দ্রস্থলে। এ টাওয়ারটি তৈরি করতে সময় লেগেছে একটানা সাত বছর। মালয়েশিয়ার মোবাইল কোম্পানি মাক্সিস ও তেল কোম্পানি পেট্রোনাসের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে এই টাওয়ার।

ফেইরিপুলস, স্কটল্যান্ড

ফেইরি পুল যার বাংলা করলে দাঁড়ায় পরীপুল, এটি গ্লেন ভগুর সৈকত থেকে দুই মাইল দূরে অবস্থিত। গ্লেন ব্রিটেল ফরেস্ট থেকে আসা ধোয়ার এরা একটি বড় অংশ যা খুব স্পষ্ট শান্ত স্ট্রিম এবং সুন্দর জলপ্রপাত প্রবাহ সৃষ্টি করে। মজার বিষয় হলো বরফ শীতল পানিতে আপনি সাতারের আনন্দ নিতে পারবেন। তবে এটি গ্রীষ্মকালেও বেশ ঠাণ্ডা থাকে। যাতায়াত ব্যবস্থা এতোটা ভালো না এখানে। পাবলিক ট্রান্সপোর্টও তেমন একটা নেই তবে আপনি নির্মেঘ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন পুল দিয়ে হেঁটে হেঁটে। যাইহোক, এই জায়গায় পর্বতারোহী, বন্যপ্রাণি বিষয়ক অধ্যয়নপ্রেমীদের এবং একটি ব্যস্ত জীবনযাপন করেন, যারা তাদের জন্য আনন্দদায়ক একা সময় কাটাতে বেশ উপযোগী।

পিসার লিনিং টাওয়ার, ইতালি

এটা হেলানো টাওয়ার নামেও পরিচিত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ভবনগুলোর মধ্যে একটি। পিসার লিনিং টাওয়ার ইতালির পিসা শহরের ক্যাথিড্রাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত একটি হেলানো টাওয়ার। এই টাওয়ারের নির্মাণ কাজ ১৩৭২ সালে সম্পন্ন করা হয়েছিলো এবং নির্মাণের সময় এই বিখ্যাত টাওয়ারের একপাশ নরম ভিত্তির কারণে ক্রমশ হেলতে থাকে। বর্তমানে এ অবকাঠামোটিকে রক্ষা করতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করায় এটির হেলে পড়া রোধ এবং ভূপাতিত হওয়া থেকে রক্ষা করতে পেরেছে। এই লিনিং টাওয়ারের সামনে ছবি তোলা পর্যটকদের খুবই প্রিয়।

এমন ২০টি খাবার, যা আপনার যৌনশক্তিকে দ্বিগুণ করবে!

আগ্রার তাজমহল

কিছু কিছু ছবি নিদর্শন দেখলে মনের অকপটে ভেসে উঠে আরেকটি কল্পনা। যেমন আগ্রার তাজমহল  এর কথা মনে হলেই মনে পরে যায় ভালোবাসার কথা। মনে হবেই না কেন , এ যেন ভালবাসারই এক শাশ্বত রূপ। স্ত্রী মমতাজ মহলের অকাল মৃত্যুতে মুঘল সম্রাট শাহজাহানের দিলে খুব আঘাত লাগে। সেই ভেঙ্গে পড়া দিল নিয়ে তিনি স্ত্রীর কবরের উপর একটা সমাধিসৌধ নির্মাণ করেন। এটাই তাজমহল।অনেক কথা, অনেক গল্প, কল্পনা সম্ভার লুকিয়ে আছে এই তাজমহলকে ঘিরে।

দ্যরেডবিচ, চায়ন

একটি সমুদ্রসৈকতে কিছু সময় কাটানো অবিশ্বাস্যভাবে চিত্তাকর্ষক হতে পারে, কিন্তু তা যদি হয় একটি অসাধারণ সৈকত। তাহলে সেটা আরো স্মরণীয় ও বিস্ময়কর হবে। আর এটি হলো চায়নার রেড বিচ যা ডোয়াতে অবস্থিত পানজিনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৩০ কি.মি. এলাকাজুড়ে। এই বিচটি লাল কারণ এটার মাটি লাল নয়, বরং সুইডা নামক এক প্রকার শৈবাল পড়ার পর লাল রঙ ধারণ করে। লাল বিচ বৃহত্তম জলাভূমি যা সম্পূর্ণ বস্তুতন্ত্র সঠিকরূপে কাজ করে। এখানে প্রায় ৩৯৯টিরও বেশি বন্যপশু ও ২৬০ প্রজাতির পাখি আছে। লাল বিচে শুধু পতনের মৌসুমেই না বরং সারা পৃথিবী প্রতি বছর থেকে অনেক পর্যটক এসে থাকে। যে কেউ চাইলেই বাজেট ঠিক করে এখানে এসে বেড়িয়ে যেতে পারে।

ছেলেদের যে ৭টি কারণে মেয়েরা কাঁদে!

ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান

এই উদ্যান নিয়ে সব চেয়ে মজার তথ্যটি হচ্ছে আজ পর্যন্ত এই উদ্যানটির কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এটি থাকার কিছু পৌরাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় মাত্র।  বড় সবুজ পাহাড়ের মত দেখতে ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে একটি। এই বাগান সম্পর্কে প্রচুর লেখালেখি করে গেছেন রোমান এবং গ্রিক সাহিত্যিকগণ। তাঁদের থেকেই এই বাগান সম্পর্কে কিছু মজার এবং চমকপ্রদ তথ্য জানা যায়। এই বাগান পরিচর্যার কাজে নিয়োজিত ছিল ১ হাজার ৫০ জন মালী। ৫ থেকে ৬ হাজার প্রকার ফুলের চারা রোপণ করা হয়েছিল এই ঝুলন্ত বাগানে। ৫১৪ খ্রিস্টাব্দে পার্শ্ববর্তী রাজ্যের সাথে এক ভয়াবহ যুদ্ধে সম্পূর্ণ রুপে ধ্বংস হয়ে যায় ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান।

আইফেল টাওয়ার

ফ্রান্সের কথা মনে হলেই মনের মধ্যে যে ছবিটি ভেসে উঠে তা হল আইফেল টাওয়ার । মজার ব্যাপার হচ্ছে ফরাসীরা শুরুতে মোটেও এই স্থাপনা স্থাপনের পক্ষপাতি ছিল না, বরং ঘোর বিরোধিতা করেছে। ফ্রান্সের প্যারিস শহরে নির্মিত আইফেল টাওয়ারটি পৃথিবীর স্থাপনা নির্মাণের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা। এর ওজন দাঁড়ায় প্রায় ১০ হাজার টন এবং উচ্চতা ৯৮৪.২৫ ফুট।

বিশ্ববিস্মিত সেরা ২০টি উদ্ভট ও অবাক করা রেষ্টুরেন্ট!

আর্টিমিসের মন্দির

এটা ডায়নার মন্দির নামেও ডাকা হয়। এটা গ্রিক মন্দির এবং তা নির্মাণ করা হয়েছিল খ্রীস্টপূর্ব ৫৫০ অব্দে। এথেন্স ও রোমের লোকেরা বিভিন্ন দেবদেবির পূজা করতো এখানে। ৩৫৬ খ্রিস্ট-পূর্বাব্দে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে এই মন্দিরটি ধ্বংস হয়ে যায়।

বিশ্বের সবছেয়ে বড় জাহাজ; টাইটানিক থেকে ১০গুণ বড়!

গ্রেটওয়াল, চীন

সাড়ে ছয় হাজার কিলোমিটারব্যাপী বিস্তৃত চীনের এ মহাপ্রাচীরটি বিশ্বের মানবসৃষ্ট অন্যতম বড় নিদর্শন। এটি পৃথিবীর একমাত্র স্থাপনা যা চাঁদ থেকে দেখা যায়। খ্রিস্টের জন্মের আগে থেকে উত্তরের মঙ্গল আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য চীনের সম্রাটরা এটি নির্মাণ শুরু করে। ২২০-২০৬ খ্রিস্টপূর্বে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দেয়ালগুলো নির্মাণ করা হয়। পূর্বে ডাংডং থকে শুরু করে পশ্চিমে লপ লেক পর্যন্ত ৮৮৫০ কিমি. দীর্ঘ এ দেয়ালটির বিস্তৃতি।

ডিমের খোসার উপকারিতা জানলে আপনি অবাক হবেন!

নিউগ্রেজ

এটা অবস্থিত আয়ারল্যান্ডে। এটি UFO আকৃতির স্থাপনা এবং বিশাল এর আকার। এতে রয়েছে বিশাল দরজা। এর ভিতরে আছে অনেক গুলো রুম যার দেওয়ালে অনেক খোদাই নকশা।

আরো পড়ুন: স্ত্রী ব্রা খুললেই স্বামী হওয়া যায় না!


[ প্রিয় পাঠক, আপনিও সম্ভব ডটকমের অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ ইনবক্স করুন- আমাদের ফেসবুকেপ্রতিদিনের স্বাস্থ্য টিপসলেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে। ]