More

    This Website Under Constraction

    দৃষ্টিশক্তি এবং মনোযোগ বৃদ্ধির ৩০টি অসাধারণ টিপস

    চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর কথা মাথা এলে আমরা সবার আগে কচুর শাক খাওয়ার কথা চিন্তা করি। দৃষ্টিশক্তির জন্য কি শুধুমাত্র কচু-শাক?

    সবুজ শাক চোখের যত্নে খুব উপকারী খাবার। আমাদের দেশের নানা রকম সবুজ শাক যেমন, পালং, পুই, কচু, লাউ ইত্যাদিকে অবহেলা করবেন না। সবুজ শাকে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। সেই সাথে এটি ম্যাঙ্গানিজের খুব ভালো উৎস। এগুলো চোখের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে চোখের রেটিনাকে রক্ষা করতে সাহায্য করে সবুজ শাক। সবুজ শাক দৃষ্টিশক্তি ভালো করতেও সাহায্য করে ।

    আপনি বেশি করে কচু শাক খান। কচু শাক চোখের জন্য ভাল উপকার করে। এবং তার পাশাপাশি অবশ্যই আমাদের সবুজ শাকসবজি যেমন পালংশাক, ব্রকলি, পাতাকপি এবং হলুদ সবজি যেমন গাজর, হলদে মিষ্টি আলু দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। সবুজ শাকসবজি ভিটামিন এ, সি, বি১২ এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ থাকে। আজকের প্রতিবেদনে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শগুলো গুলো পড়ুন।

    ভুট্টা

    চোখ ভাল রাখার আরেকটি খাবার ভুট্টা। ভুট্টায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন এ, সি ও লাইকোপিন; যা দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে সাহায্য করে৷আধ-কাপ রান্না ভুট্টায় একজন মানুষের চোখের জন্য প্রয়োজনীয় সব উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। তাই নিয়মিত ভুট্টা খেতে পারেন। আর নিয়মিত ভুট্টা খেলে চোখের হলুদ পিগমেন্ট হারানোর কোন ঝুঁকি থাকে না। এমনকি ছানি পড়ার ঝুঁকি কমে যায়।

    চোখের ব্যয়াম করুন

    • এক মিনিট সময় নিয়ে পলক ফেলুন
    • ঘাড়ের ব্যায়াম করুন
    • ধীরে ধীরে ডানে বামে তাকান
    • চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিন
    • চোখের মণি ঘুরান
    • চোখ বন্ধ করুন এবং খুলুন
    • চোখের কোণা আঙ্গুল দিয়ে ম্যাসাজ করুন
    • চোখের মণির সাহায্যে জ্যামিতিক বিভিন্ন চিত্র অঙ্কন করুন
    • চোখ বন্ধ করুন এবং মণি ওপর-নীচে ঘুরাতে থাকুন
    • কোন বিষয়ের উপর লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং মনোযোগ দিন
    • প্রথমে একটি চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন এবং সামনে থাকবে সাদা দেয়াল। এবার আপনার হাতের বুড়ো আঙ্গুল চোখ থেকে ১০ ইঞ্চি দূরে রাখুন এবং সেদিকে মনোযোগ দিন ১০ থেকে ১৫ সেকেন্ড সময় ধরে। এবার ৫ ফিট দূরে একটি বস্তুর দিকে সোজা তাকিয়ে থাকুন ১০ সেকেন্ড সময় নিয়ে। বস্তুটি সবুজ রঙ হলে ভালো। অন্য কোন দিকে মনোযোগ দিবেন না। এবার আপনার থেকে ১০-১৫ ফিট দূরে অবস্থিত কোন বস্তুর দিকে মনোযোগ দিন, মাথা অন্যদিকে ঘোরান যাবে না। এবার প্রথম থেকে শুরু করুন। এভাবে মোট ৫ বার করুন। এই ব্যায়াম আপনার মনোযোগ এবং দৃষ্টিক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

    চোখ ঢাকা

    আরাম করে শিথিলভাবে মেরুদণ্ড সোজা করে বসুন। সামনের টেবিলে কনুই রেখে হাতের তালু দিয়ে চোখ ঢাকুন। এমনভাবে ঢাকুন, চোখের পাতা যেন হাতের তালু স্পর্শ না করে। এরপর খুব মনোহর প্রাকৃতিক দৃশ্য কল্পনা করুন। বেড়াতে গিয়ে বা টিভিতে কোন প্রাকৃতিক দৃশ্য মোহিত করে থাকলে তা ভিজুয়ালাইজ করুন। কাজ করতে করতে বা পড়তে পড়তে যখনই আপনার মনে হয় চোখ ক্লান্ত হয়ে গেছে বা চোখে ব্যথা করছে, তখনই আপনি ৫ থেকে ১০ মিনিট এভাবে হাতের তালু দিয়ে চোখ ঢেকে কল্পনায় সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যে হারিয়ে যান। যে দৃশ্য কল্পনা করছেন, তার রং, গন্ধ, শব্দ সব পুরোপুরি অনুভব করার চেষ্টা করুন। ডা. বেটস বলেছেন মনের চোখে কোন জিনিস দেখলে বাস্তবে তা আরও বেশি স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

    পলক ফেলুন

    দশ-পনেরো সেকেন্ড পরপর চোখের পাতা মুহূর্তের জন্যে বন্ধ করার অভ্যাস করুন। এক দৃষ্টিতে না তাকিয়ে মাঝে মাঝে চোখের পাতা পড়তে দিন। এতে চোখ পরিষ্কার ও পিচ্ছিল থাকবে।

    কাছে ও দূরে তাকানো

    কাছে ও দূরে তাকানোর অভ্যাস বাড়ান। এই তাকানোর অনুশীলন আপনি দুই হাতের দুআঙ্গুল দিয়েও করতে পারেন। ডান হাতের তর্জনী চোখ থেকে আধ হাত দূরে রাখুন। আর বাঁ হাত যতটা সম্ভব দূরে নিয়ে তর্জনী সোজা করে রাখুন। এবার প্রথমে ডান- অর্থাৎ কাছের হাতের তর্জনীর দিকে দুই চোখ দিয়ে ৫ সেকেন্ড এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকুন। ক্ষণিকের জন্যে চোখের পাতা ফেলুন। এরপর আবার দূরে অবস্থিত বাম হাতের তর্জনীর ডগায় এক দৃষ্টিতে ৫ সেকেন্ড তাকান। ক্ষণিকের জন্যে পলক ফেলুন। আবার কাছের আঙুলের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করুন। এভাবে ১০ বার এই অনুশীলন করুন।

    লেবু জাতীয় ফল

    মৌসম্বি লেবু, কমলা লেবু এবং পাতি লেবু বেশি করে খাওয়া শুরু করুন। এই সব ফলে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি রয়েছে। এই ভিটামিগুলো  ছানি প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে। সেই সঙ্গে দৃষ্টিশক্তিরও উন্নতি ঘটায়।

    বাদাম

    বাদামে থাকা উপস্থিত ভিটামিন  চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । তাই যদি চশমা ব্যবহার করতে না চান, তাহলে আজ থেকেই রোজের ডায়েটে বাদামকে অন্তর্ভুক্ত করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

    মাছ

     ছোট মাছ তো বটেই সেই সঙ্গে  সামদ্রিক মাছও খেতে হবে। আসলে সামুদ্রিক মাছে উপস্থিত ফ্যাটি অ্যাসিড দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে সাহায্য করে।

    সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজি

    আমাদের জীবনের সবার সেরা বন্ধু হলো সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজি। এতে আছে লুটেইন এবং জিয়াক্স্যানথিন এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা মাংসপেশির ক্ষয় রোধ করে। এরা চোখের মাংসপেশিকেও শক্তিশালী করে এবং রোগ সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

    গাজর

    সেই ছোটবেলা থেকেই আমরা শুনে আসছি গাজর আমাদের চোখের জন্য বেশ উপকারী। আসলেও তাই। গাজরে আছে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন যা চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং চোখের কার্যক্রম সচল রাখায় সহায়ক ভুমিকা পালন করে। এছাড়া চোখের কোনো ধরনের ক্ষয়ও হতে দেয় না গাজর।

    ভুট্টা

    চোখ ভাল রাখার আরেকটি খাবার ভুট্টা। ভুট্টায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন এ, সি ও লাইকোপিন; যা দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে সাহায্য করে৷আধ-কাপ রান্না ভুট্টায় একজন মানুষের চোখের জন্য প্রয়োজনীয় সব উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। তাই নিয়মিত ভুট্টা খেতে পারেন। আর নিয়মিত ভুট্টা খেলে চোখের হলুদ পিগমেন্ট হারানোর কোন ঝুঁকি থাকে না। এমনকি ছানি পড়ার ঝুঁকি কমে যায়।

    পূর্ণ শস্য

    পূর্ণ শস্যজাতীয় খাদ্যে গ্লিকেমিক ইনডেক্স কম থাকে। যা চোখের পেশির ক্ষয় এবং বার্ধক্যজনিত সমস্যা প্রতিরোধ করে। এই শস্য রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসও প্রতিরোধ করে যা দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসার প্রধান কারণ।

    সাইট্রাস ফল

    লেবু এবং কমলার মতো সাইট্রাস ফল ভিটামিন সি-তে পূর্ণ। যা খুবই শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই ফল চোখের স্বাস্থ্য খুবই ভালো রাখে। এবং চোখের পেশির ক্ষয়রোধ করে। এছাড়া ভিটামিন সি আমদের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।

    বাদাম

    বাদামে আছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড। যা চোখ সংক্রান্ত রোগ কমায়। এতে থাকা ভিটামিন ই চোখে ছানি পড়া এবং ক্ষয় প্রতিরোধ করে।

    আমলা জুস

    এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন- সি, যা চোখের ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন দুবার করে এই জুস খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো হয়। ২. গোলাপ পাপড়ি থেকে তৈরি জুস : কয়েকটি গোলাপের পাপড়ি নিয়ে তার রসটা সংগ্রহ করুন। তারপর সেই রস ভালো করে চোখের বাইরে এবং ভেতরে লাগান। এই ঘরোয়া চিকিৎসাটি দৃষ্টিশক্তি ভালো করতে দারুন কাজে আসে।

    মরিচ গুঁড়ো ও মধু

    এক চামচ মধুর সঙ্গে এক চিমটে মরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে দিনে একবার করে খান। দেখবেন ভাল ফল পাবেন।

    সরিষা তেল মালিশ করুন

    রাতে শুতে যাওয়ার আগে কয়েক ড্রপ সরষের তেল নিয়ে পায়ের তলায় ভাল করে মাসাজ করুন। প্রতিদিন এমনটা করলে দেখবেন দৃষ্টিশক্তি ভালো হতে শুরু করবে। প্রসঙ্গত, এই তেল দিয়ে চোখ মাসাজ করলেও একই ফল পাওয়া যায়।

    যষ্টিমধু ও দুধ

    হাফ চামচ যষ্টিমধুর পাউডার এবং এক চামচ মধু হালকা গরম দুধে মিশিয়ে রাতে শুতে যাওয়ার আগে প্রতিদিন খান। দুমাস খেলেই দেখবেন চোখের ক্ষমতা বাড়তে শুরু করেছে।

    মৌরি পাতা

    কয়েকটি মৌরি পাতা পরিমাণ মতো জলে দিয়ে সেই জলটা ফোটান। ততক্ষণ পর্যন্ত জলটা ফোটাবেন, যথক্ষণ পর্যন্ত না তা অর্ধেক হয়ে যাচ্ছে। তারপর জলটা ঠান্ডা করে চোখে ঝাপটা দিন। প্রতিদিন এমনটা করলে ভালো ফল পাবেন।

    এলাচ ও মধু

    ২-৩ টে এলাচ নিয়ে ভালো করে গুঁড়ো করে দুধের সঙ্গে মেশান। সেই দুধে এক চামচ মধুও মিশিয়ে দিন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে দুধের এই মিশ্রনটি খেলে দৃষ্টিশক্তি ভাল হয়।

    ত্রিফলা

    এক চামচ ত্রিফলার সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে রাতে শুতে যাওয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। চোখকে আরাম দিতে দারুন কাজে দেয় এই ঘরোয় পদ্ধতিটি।

    মাছ এবং মাছের তেলের ক্যাপসুল

    মাছেও আছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড যা চোখে রক্ত সরবরাহের শিরা-উপশিরাগুলোকে শক্তিশালী করে। এছাড়া এটি ব্রেন পাওয়ারও বাড়ায়। যার ফলে দৃষ্টিশক্তিও উন্নত হয়। এছাড়া চোখের পানি শুকিয়ে যাওয়াও প্রতিরোধ করে এটি।

    সূর্যমুখী ফুলের বীজ

    এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই এবং জিঙ্ক যা আমাদের চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং রোগমুক্ত রাখতে সহায়ক। এসব বীজ থেকে পাওয়া তেলে আছে ক্যারোটিনয়েড যা ছানি পড়া রোধ করে।

    টমেটো

    এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি। প্রতিদিন টমেটো খেলে দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি হারায় না।

    কলাই

    কিডনি বিন, কালো-চোখ মটরশুটি এবং ডালে আছে বায়োফ্ল্যাভোনয়েড এবং জিঙ্ক। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এসব খাবার রাখলে রেটিনায় কোনো ক্ষয় এবং ছানি পড়া প্রতিরোধ করে।

    ডিম

    বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ডিমও বেশ কার্যকর। বিশেষ করে ডিমের কুসুমে আছে লিউটেইন, জিয়াক্সানথিন এবং জিঙ্ক যা রেটিনায় কোনো ধরনের ক্ষয় প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।

    চোখের এই যত্ন যে কত উপকারী তা প্রখ্যাত লেখক অডলাস হাক্সলীর জীবন আলোচনা করলেই বোঝা যায়। ১৯৩৯ সালে হাক্সলীর বয়স যখন ৪৫, তখন তাঁর দৃষ্টিশক্তির দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে। পড়ার জন্যে তিনি ব্যবহার শুরু করেন মোটা ম্যাগনিফাইং গ্লাসের চশমা। এ সময় তিনি বেটস মেথডের কথা শোনেন। এবং ২ মাস এই পদ্ধতির চর্চা করার পর তিনি চশমা ছাড়া পড়তে সক্ষম হন। পরে হাক্সলী নিজেও চোখের যত্ন বিষয়ে একটি বই লেখেন। বইটির নাম ‘দি আর্ট অব সিইং’।

    তাতে তিনি লিখেছেন, শুধুমাত্র তিনিই নন, বেটস মেথডের সহজ নিয়ম পালন করে হাজার হাজার রোগী তাদের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সক্ষম হয়েছেন। অবশ্য এ উন্নতি সবসময়ই নির্ভর করে কতটা মনোযোগ ও একাগ্রতা নিয়ে আপনি অনুশীলন করছেন তার ওপরে।

    সম্ভব ডটকম।

    Recent Articles

    Hands on: Beats PowerBeats Pro review

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    New standalone app for macOS to be Like iTunes

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    NASA spacecraft to collide a small moonlet in 2022

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    The Google Nest Hub Max soups up the smart display

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    Foldable iPhone 2020 release date rumours & patents

    In May, Uber launched a new experiment: selling train and bus tickets through its app for its customers in Denver, Colorado. Today, the company...

    Related Stories

    Leave A Reply

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    Stay on op - Ge the daily news in your inbox