৩৮টি ঢেঁড়স এর উপকারিতা অপকারিতা ও পুষ্টিগুণ

716
ঢেঁড়স

সকল সবজিতেই কম বেশি উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ বিদ্যমান। কিন্তু আমারা সাধারণত ঢেঁড়সকে মনে করি গুরুত্ত্বহীন৷ কিন্তু এই ঢেঁড়স এর উপকারিতা ও পুষ্টিগুন অনেক। ঢেঁড়স আমাদের শরীরে অজান্তেই অনেক উপকার করে৷ ঢেঁড়সের কিছু গুণ রয়েছে, ডায়াবেটিসে ঢেঁড়স এর উপকারিতা সহ যা শরীরকে অনেক রোগ থেকে রক্ষা করে৷ নিচে আমরা ঢেঁড়সের উপকারিতা ও সকল পুষ্টিগুন নিয়ে আলোচনা করেছি। আশা করি পোষ্টটি পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।

ঢেঁড়সে আছে সলিউবল ফাইবার পেকটিন যা রক্তের বাজে কোলেস্টেরলকে কমাতে সাহায্য করে। ঢেঁড়সের মধ্যে রয়েছে অনেক ওষুধ গুণ। এর মধ্যে রয়েছে আঁশ, ভিটামিন এ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।

« এক নজরে দেখুন এই প্রতিবেদনে কি কি রয়েছে »

ডায়াবেটিসে ঢেঁড়স এর উপকারিতা

 ডায়াবেটিসে ঢেঁড়স এর উপকারিতা

ঢেঁড়সে আছে দেহের গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে রাখার উপাদান ও এক ধরনের ফাইবার উপাদান যা দেহের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে। পরিসংখ্যান বলছে ইতিমধ্যেই আমাদের দেশ সারা বিশ্বের মধ্যে ডায়াবেটিস ক্যাপিটালে পরিণত হয়েছে।

এখানেই শেষ নয়, প্রতি বছর নতুন করে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্তের সংখ্যাটাও লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশ করা একটি রিপোর্ট অনুসারে বর্তমানে ভারতে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা প্রায় ৫০ মিলিয়ান, যা আগামী কয়েক বছরে আরও বৃদ্ধি পাবে।

এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে সুস্থ রাখবেন কিভাবে, তা জানা আছে? গবেষণা বলছে প্রতিদিন ৬-৮ টা ঢেঁড়স খেলে শরীরে ইনসুলিনের উৎপাদন চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পায়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গিয়ে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে।

আরো পড়ুন: ডায়াবেটিস চিকিৎসা নিয়ে সব সমাধান একসাথে (২০১৯)

রক্তশূন্যতা রোধ করে

রক্তশূন্যতা রোধ করে

ঢেঁড়সের আয়রন ও ভিটামিন কে দেহে রক্ত জমাট সমস্যা রোধ করে, দেহে প্রয়োজনীয় লাল প্লেটলেট তৈরি করে এবং দেহের দুর্বলতা রোধ করে থাকে। তাই রক্তশূন্যতার সমস্যায় বেশি করে ঢেঁড়স খাওয়া ভালো।

ওজন কমাতে সহায়

ওজন কমাতে সহায়

ঢেঁড়সে ক্যালরির পরিমাণ খুব কম তাই এটি ওজন কমানোর ডায়েট মেন্যুতে রাখতে পারেন। ঢেঁড়সের ফাইবার ক্যালরি ছাড়াই পেট ভরা রাখে, তাই ক্যালরি বহুল খাবার থেকে বিরত থাকা যায়।

চুলের যত্নে

চুলের যত্নে

ঢেঁড়স চুলের জন্য খুব উপকারী, ঢেঁড়স এর উপকারিতা অনেক। ঢেঁড়স চুলের কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে, খুশকি ও উকুন রোধ করে চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এছাড়াও ঢেঁড়স ত্বকের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে শরীরের টিস্যু পুনর্গঠনে ও ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।

কোলেস্টেরল কমায়

কোলেস্টেরল কমায়

ঢেঁড়সের মধ্যে রয়েছে সলিউবল ফাইবার (আঁশ) পেকটিন যা দেহ থেকে খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং অ্যাথেরোসক্লোরোসিস প্রতিরোধ করে।

হজমে সহায়ক এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

ঢেঁড়সে রয়েছে অধিক পরিমাণ আঁশ এবং পেকটিন  যা হজমে সাহায্য করে। পেকটিন অন্ত্রের স্ফীতিভাব কমায় এবং অন্ত্র থেকে বর্জ্য সহজে পরিষ্কার করে। তাছাড়া ঢেঁড়সের ফাইবার বা আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং সহজে হজম হয় বলে বিপাকক্রিয়ায় সহায়তা করে।

শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে

শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে

ঢেঁড়স হাঁপানী রোগে খুব উপকারী। ঢেঁড়সের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টি ইনফ্লামেটোরি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। প্রাচীন হারবাল চিকিৎসায় হাঁপানি রোগ সারাতে ঢেঁড়সকে ঔষধ হিসেবে ব্যবহারা করা হত।

দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে

দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে

ঢেঁড়সে বিদ্যমান ভিটামিন এ, বিটা ক্যারোটিন এবং লিউটিন চোখের গ্লুকোমা এবং চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে।

হাঁপানিতে উপকারি

হাঁপানিতে উপকারি

হাঁপানিতে খুব ভালো কাজ করে ঢেঁড়স। রোগটির হারবাল চিকিৎসায় ঔষধি হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ঢেঁড়স বীজের তেল শ্বাসকষ্ট কমাতে পারে।

আরো পড়ুন: বিশ্বের সবচেয়ে ছোট ১০টি দেশ (ছবিসহ)

প্রোস্টেট গ্রন্থির অসুখে

ডায়াবেটিস

এর একটা দারুণ ঔষধিগুণ হলো এটি প্রসাবের প্রবাহ বৃদ্ধি করে। এতে প্রোস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধি কমে আসে। এটি পানিতে সেদ্ধ করে তরল পিচ্ছিল পদার্থ ছেঁকে পান করলে প্রসাবের প্রবাহ বাড়বে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

এতে রয়েছে প্রচুর আঁশ যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। সহজে হজম হয় বলে বিপাকক্রিয়ায় সহায়তা করে।

ত্বকের যত্নে

ত্বকের যত্নে

নিয়মিত ঢেঁড়স খেলে ব্রণ কম হয়। এটি ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করতেও ভালো কাজ দেয়। এটি খাওয়ার ফলে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়, এতে ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়ে।

হাড় ও দাঁতের যত্নে

হাড় ও দাঁতের যত্নে

প্রতি ১০০ গ্রাম ঢেঁড়সে রয়েছে ৬৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ১.৫ মিলিগ্রাম লোহা। এটি হাড়কে মজবুত করে। আবার দাঁত ও মাড়ির রোগেও ঢেঁড়স উপকারী।

চুলের যত্নে ঢেঁড়স

চুলের যত্নে

ঢেঁড়সকে প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।এটি ব্যবহারে চুল পড়া কমে। শুধু তাই নয়, চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখে এটি।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে

ঢেঁড়সে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ক্যান্সার রোগ সৃষ্টিকারী কোষগুলোকে ধ্বংস করে ক্যান্সার নিরাময়ে সাহায্য করে।

রক্তশূন্যতা দূর করে

নিয়মিত ঢেঁড়স খেলে লাল রক্ত কণিকার উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলে সহজেই রক্তশূন্যতা দূর হয়।

গর্ভাবস্থায় কাজ করে

গর্ভাবস্থায় কাজ করে

এ সময় নিয়মিত ঢেঁড়স খেলে এর ফলেট উপাদানটি শিশুদের সঠিকভাবে
বিকাশে সাহায্য করে। উপকার পেতে তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ঢেঁড়স রাখুন। তবে অন্যান্য সবজির মতো এতেও সামান্য পরিমাণে অক্সালিক এসিড রয়েছে। তাই কিডনিতে পাথর হলে এ সবজিটি এড়িয়ে চলাই ভালো।

আরো পড়ুন: স্ত্রী ব্রা খুললেই স্বামী হওয়া যায় না!

প্রাণবন্ত চুল

সুস্বাদু সবজি ঢেঁড়স চুলের জন্য খুব উপকারী এবং ঢেঁড়সে আছে এমন কিছু উপাদান যা চুলের কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে, খুশকি ও উকুন রোধ করে, স্কাল্পের শুষ্কতা ও চুলকানি দূর করে থাকে এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

কলেস্টরোলের মাত্রা ঠিক রাখে

ঢেঁড়সের ফাইবার ও পেক্টিন দেহের খারাপ কলেস্টরোলের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখে এবং atherosclerosis সমস্যা রোধ করে।

ঢেঁড়স হাড়কে শক্তপোক্ত করে

ঢেঁড়স হাড়কে শক্তপোক্ত করে

ঢেঁড়সে উপস্থিত ফলে হাড়ের গঠনে উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো ৪০-এর পর থেকে প্রতিটি মহিলার নিয়ম করে ঢেঁড়স খাওয়া উচিত।

আসলে একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে. আমাদের দেশে মহিলাদের বয়স ৪০ পেরতে না পেরতেই তাদের শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে শুরু করে। ফলে নানাবিধ হাড়ের রোগ শরীরে এসে বাসা বাঁধে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন মহিলাদের ঢেঁড়স খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা কতটা!

অ্যাস্থেমার মতো রোগকে প্রতিরোধে করে ঢেঁড়স

অ্যাস্থেমার মতো রোগকে প্রতিরোধে করে

আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় অথবা ধুলোবালি নাকে ঢুকলেই শ্বাস কষ্ট শুরু হয়ে যায় নাকি? তাহলে তো কষ্ট কমাতে ঢেঁড়সের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতেই হবে। কারণ এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলে যে অ্যালার্জি সৃষ্টিকারি অ্যালার্জেনরা কোনও ধরনের ক্ষতি করার সুযোগই পায় না। ফলে অ্যাস্থেমার প্রকোপ কমতে শুরু করে।

কোলেস্টেরল কমায়

বাজে কোলেস্টেরল কমায় ঢেঁড়সের মধ্যে রয়েছে সলিউবল ফাইবার (আঁশ) পেকটিন, যা রক্তের বাজে কোলেস্টেরলকে কমাতে সাহায্য করে এবং অ্যাথেরোসক্লোরোসিস প্রতিরোধ করে।

ভ্রুণ তৈরিতে

গর্ভাবস্থায় ভ্রূণ তৈরির জন্য ভালো ঢেঁড়স গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের মস্তিষ্ক তৈরিতে সাহায্য করে, মিসক্যারেজ হওয়া প্রতিরোধ করে।

ত্বকের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে

ঢেঁড়স ত্বকের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে শরীরের টিস্যু পুনর্গঠনে ও ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে।

শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে

শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে

ঢেঁড়সের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি, অ্যান্টি ইনফ্লামেটোরি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। অ্যাজমার লক্ষণ বৃদ্ধি প্রতিরোধে এবং অ্যাজমার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ঢেঁড়স বেশ উপকারী।

ত্বকের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে

ঢেঁড়স কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। ঢেঁড়সের উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্ষতিকর ফ্রি রেডিকেলসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ তৈরি করে।

আরো পড়ুন: কনডম ক্রয়ের আগে যে জিনিসগুলো জানা খুবই জরুরী!

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়

ঢেঁড়স রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এ ছাড়া আরো প্রয়োজনীয় মিনারেল যেমন ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ যা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়

হজমে সহায়ক

হজমে সহায়ক

ঢেঁড়সে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ আঁশ যা হজমে সাহায্য করে। পেকটিন অন্ত্রের স্ফীতিভাব কমায় এবং অন্ত্র থেকে বর্জ্য সহজে পরিষ্কার করে

বিষণ্ণতা দূর করে

ঢেঁড়সের উপকারিতা

ঢেঁড়স বিষণ্ণতা, দুর্বলতা এবং অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে।

দৃষ্টি ভালো রাখে

ঢেঁড়সের উপকারিতা

ঢেঁড়সে আছে বেটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, লিউটিন যা চোখের গ্লুকোমা, চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে।

উপকরণ: ২টি ফ্রেশ ঢেঁড়স ১ গ্লাস পানি যেভাবে তৈরি করবেন:

  • ১। প্রথমে ঢেঁড়সগুলোর মুখ এবং লেজের অংশ কেটে নিন।
  • ২। এবার এক গ্লাস পানির মধ্যে কাটা ঢেঁড়স দিয়ে দিন।
  • ৩। এভাবে সারা রাত রাখুন।
  • ৪। সকালে খালি পেটে এটি পান করুন।

স্বাস্থ্য উপকারিতা:

  • ১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
  • ২। ব্লাড সুগার কমিয়ে দেয়, যা ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে।
  • ৩। কোলেস্টেরল মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে।
  • ৪। কিডনি রোগ প্রতিরোধ করে।
  • ৫। অ্যাজমা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
  • ভাল ফল পেতে প্রতিদিন নাস্তার আগে খালি পেটে এটি পান করুন। এটি ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে, কোলেস্টেরল মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কিডনি সুস্থ রাখে।

আরো পড়ুন: কিভাবে চিনবেন বিষাক্ত, দূষিত মাছ? ১ মিনিটে দেখে নিন!

ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করে

ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করে

প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে প্রতিদিন এই সবজিটি খেলে একদিকে যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে, তেমনি কোষেদের বিভাজনও ঠিক ঠিক নিয়ম মেনে হওয়ার সুযোগ পায়। কারণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের কোষেদের গঠনে পরিবর্তন করার কোনও সুযোগই দেয় না।

ফলে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশেই হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, কোষেদের এই ভাবে চরিত্র বদল করে ক্ষতিকর কোষে রূপান্তরিত হওয়াকে “মিউটেশন অব সেল” বলা হয়ে থাকে।

প্রিয় পাঠক, আপনিও সম্ভব ডটকমের অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ ইনবক্স করুন- আমাদের ফেসবুকে  SOMVOB.COM লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।