গুগল এ্যাডসেন্স থেকে আয় নিয়ে সকল প্রশ্ন ও উত্তর

308
Adsense Photo
Google Adsense

গুগল এ্যাডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভ হওয়ার আশায় মাসের পর মাস বা বছরের পর বছর কাটিয়ে দিচ্ছেন এমন লোকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়।  কারণ গুগল এ্যাডসেন্সের রয়েছে বিভিন্ন ধরনের নিয়মকানুন। সবকিছু অনুসরণ করার পরও বর্তমানে গুগল এ্যাডসেন্স একাউন্ট পাওয়া বেশ কঠিন। কিন্তু গুগল এ্যাডসেন্স নেই তো কী হয়েছে, গুগল এ্যাডসেন্সের বিকল্প তো রয়েছে। গুগলের মত বেশ কিছু কোম্পানী রয়েছে যারা পাবলিশারদের সাইটে প্রদর্শনের জন্য বিজ্ঞাপন প্রদান করে থাকে। 

আজ আমরা গুগল এ্যাডসেন্স নিয়ে যতো প্রশ্ন আছে সবগুলো উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করি পুরো পোষ্টটি পড়লে আপনার গুগল এ্যাডসেন্স নিয়ে সম্পুর্ন ধারণা পরিস্কার হয়ে যাবে।

« এক নজরে দেখুন এই প্রতিবেদনে কি কি রয়েছে »

 প্রশ্নঃ গুগল এ্যাডসেন্স কি?

উত্তরঃ গুগল এ্যাডসেন্স হচ্ছে অনলাইন ভিত্তিক বিজ্ঞাপন। যার মাধ্যমে যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্টান তাদের প্রয়োজনীয় পন্যের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করতে পারেন। অন্যদিকে এ্যাডসেন্স পাবলিশাররা তাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ইনকাম করতে পারেন। 

ইন্টারনেটে হাজার হাজার ওয়েবসাইট আছে  কিন্তু যে সকল ওয়েবসাইটের ভিসিটর নেই  সে সকল ওয়েবসাইটের কোনো মুল্য নেই কারণ কোনো সাইটের মূল লক্ষ্য হলো ভিসিটর কে কোনো বিষয় সম্পর্কে তথ্য দেওয়া,  তাই ভিসিটর না থাকলে এ সব তথ্যের  কোনো মূল্য নেই। তাই ওয়েবসাইটে ভিসিটর আনতে হলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা (SEO) এসইও করতে  হয়।  কিন্তু এসইও  একটি দীর্ঘকালীন প্রক্রিয়া প্রায় ৩ থেকে ৬ মাস সময় লাগে | তাই এসইওকরা ছাড়া অথবা এসইও করা ওয়েবসাইট  এ তাৎক্ষনিক  ভিসিটর পাওয়ার  জন্য গুগল  বিজ্ঞাপনের ব্যবস্থা করে | অর্থাৎ কোনো ওয়েবসাইটের লিঙ্ক অন্য ওয়েবসাইটে দিয়ে দেয়  | 


প্রশ্নঃ গুগল এ্যাডসেন্স থেকে কি আয় করা সম্ভব?

উত্তরঃ হ্যাঁ, অবশ্যই সম্ভব।

প্রশ্নঃ এডসেন্স কয় ধরণের?

উত্তরঃ গুগল এ্যাডসেন্স একাউন্ট ২ ধরনের।

একটি হচ্ছে হোস্টেড একাউন্ট আরেকটি হচ্ছে নন-হোস্টেড একাউন্ট। হোস্টেড একাউন্ট হচ্ছে ইউটিউব এবং ব্লগস্পট ব্লগ এর জন্য। এই একাউন্ট এর এ্যাড ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা যাবে না। আর নন-হোস্টেড একাউন্ট হচ্ছে এর এ্যাড ওয়েবসাইট, এপস যে কোন কিছুতে ব্যবহার করা যাবে।

কিকি উপায়ে এ্যাডসেন্স থেকে আয় করা যায়?

✅ ব্লগ/ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে

এ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম করার অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে ব্লগ/ওয়েবসাইট। এই জন্য একটি মানসম্মত ওয়েবসাইট থাকতে হবে। ওয়েবসাইটে গুগল পলিসি অনুসরণ করে কনটেন্ট/পোস্ট থাকতে হবে। ওয়েবসাইটটি সুন্দরভাবে সাজানো গুছানো থাকতে হবে। নিম্নোলিখিত বিষয়গুলো অনুসরন করলে সহজেই এ্যাডসেন্স এর জন্য একাউন্ট পাওয়া যাবে।

এগুলো মেনে এপ্লাই করলে ওয়েবসাইটটি এ্যাডসেন্স কতৃপক্ষ এপ্রুভ করবে। তারপর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে ইনকাম করা যবে। কিন্তু কোন কারণে যদি ওয়েবসাইটি এপ্রুভ না করে তাহলে এডসেন্স এর বিকল্প এ্যাড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা যেতে পারে।

ইউটিউব ভিডিও এর মাধ্যমে

এ্যাডসেন্স থেকে টাকা আয় করার আরেকটি উপায় হল ইউটিউব ভিডিও। যদি ব্লগিং ভাল না লাগে অথবা ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট না পারা গেলে ইউটিউব ভিডিও নিয়ে কাজ করা যেতে পারে। এজন্য একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকা লাগবে এবং সেখানে ভাল ভাল কনটেন্ট থাকাতে হবে। কারণ ভাল কনটেন্ট না থাকলে ভাল ভিউ পাওয়া যাবে না, আর ভিউ না পেলে ইনকাম ও হবেনা। ইউটিউব ভিডিও থেকে ইনকাম করতে হলে নিচের বিষয়গুলো জানা জরুরী।

    • চ্যানেলটি সাজানো গোছানো থাকতে হবে, যেন প্রফেশনাল আউটলুক দেখা যায়।
    • ভাল ভাল ভিডিও থাকতে হবে যেগুলো দর্শকরা দেখবে এবং পছন্দ করবে।
 
  • ভিডিওগুলো ইউনিক অর্থাৎ নিজের তৈরী করা হতে হবে কপি করা যাবে না। কপি করলে ইউটিউব চ্যানেল ব্যান করে দিবে।
  • এ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য চ্যানেল এর মোট ভিউ ১০,০০০ হতে হবে।

✅  এন্ড্রয়েড এপস এর মাধ্যমে

এন্ড্রয়েড এপস এর মাধ্যমে আয় করতে চাইলে প্রথমে একটি ওয়েবসাইট দিয়ে এ্যাডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভ করিয়ে নিতে হবে। এপ্রুভ হওয়ার পর এপস এ গুগল এর বিজ্ঞাপন দেখানো যাবে। এপস থেকে ইনকাম করার জন্য নিম্নোলিখিত বিষয়গুলি অনুসরন করতে হবে।

  • ভাল মানের একটি এপস বানাতে হবে যেন ইউজাররা এটা বেশি বেশি ব্যবহার করে।
  • ইলিগ্যাল কোন কাজের জন্য এপস বানানো যাবেনা, বানালে এ্যাডসেন্স থেকে একাউন্ট ব্যান করে দিবে।
  • এপস বানানোর পর প্লেস্টোর এ আপলোড দিতে হবে।
  • আপলোড দেয়ার পর মার্কেটিং করতে হবে যেন মানুষ এপসটি ব্যবহার করে কারণ যত বেশি ইউজার হবে ইনকাম তত ভাল হবে।


প্রশ্নঃ বাংলা ওয়েবসাইট থেকে কি এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া যায়?

উত্তরঃ আগে পাওয়া না গেলেও সম্প্রতি গুগল বাংলা ওয়েবসাইটে অনুমোদন দিচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে আমাদের ব্লগকে অনুসরণ করতে পারেন। 

Example: 
www.prothomalo.com
www.bissoy.com


প্রশ্নঃ এ্যাডসেন্স অনুমোদনের জন্য বাংলা ওয়েবসাইট ভাল নাকি ইংরেজী ওয়েবসাইট ভাল?


উত্তরঃ অনুমোদনের ক্ষেত্রে দুটি ভাষা সমান। তবে বাংলা ওয়েবসাইটের চাইতে ইংরেজী ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বেশী আয় করা যায়।


প্রশ্নঃ শুনলাম এশিয়া মহাদেশ থেকে এ্যাডসেন্স পাওয়া খুব কঠিন বিষয়?

উত্তরঃ এই তথ্যটি সঠিক নয়। একটি পরিপূর্ণ যোগ্যতা সম্পন্ন ব্লগের মাধ্যমে যে কোন দেশ থেকে সহজে এ্যাডসেন্স অনুমোদন করা সম্ভব।


প্রশ্নঃ বাংলাদেশে নাকি ৬ মাসের পূর্বে এ্যাডসেন্স অনুমোদন করে না?

উত্তরঃ এটিও সঠিক নয়। তবে একটি ব্লগকে এ্যাডসেন্সের জন্য পরিপূর্ণ উপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রায় ৬ মাসের অধিক সময় লেগে যায়। সে জন্য ব্লগের বয়স নূন্যতম ছয় মাস হওয়ার আগে এ্যাডসেন্সের আবেদন করতে অভিজ্ঞরা নিষেধ করেন। তবে এর আগে যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে ছয় মাসের পূর্বেই এ্যাডসেন্স পাওয়া সম্ভব।


প্রশ্নঃ আবেদন করার পূর্বে কমপক্ষে কতগুলো পোষ্ট থাকতে হবে?

উত্তরঃ ভালমানের আর্টিকেলের সমন্বয়ে কমপক্ষে ২৫/৩০ টি পোষ্ট রাখা প্রয়োজন।


প্রশ্নঃ প্রত্যেকটি পোষ্টের জন্য কি পরিমান আর্টিকেল হলে এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়?

উত্তরঃ প্রত্যেকটি পোষ্টে ৪০০/৫০০ ওয়ার্ড রাখাটা ভাল।


প্রশ্নঃ কপি করা আর্টিকেল দিয়ে কি এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া যায়?

উত্তরঃ আদৌ কেউ অনুমোদন পায়নি এবং ভবিষ্যতেও সম্ভব নয়!


প্রশ্নঃ কাষ্টম ডোমেন দিয়ে কি এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়?

উত্তরঃ আগে পাওয়া যেত কিন্তু সম্প্রতি পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। একটি টপ লেভেলের ডোমেন নিয়ে তার পর এ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করার স্বপক্ষে গুগল নিজেও পরামর্শ দিচ্ছে।
আবেদন করার পূর্বে করণীয় কি?

প্রশ্নঃ ব্লগার দিয়ে ব্লগিং করলে ভাল নাকি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে করলে ভাল হয়?

উত্তরঃ আপনি যেটি দিয়ে ব্লগিং করেন না কেন এ্যাসেন্স অনুমোদনের ক্ষেত্রে সমান গুরুত্ব পাবে।


প্রশ্নঃ কাষ্টম থিমস নিয়ে কাজ করব নাকি ডিফল্ট থিমস নিয়ে?

উত্তরঃ একটি ভালমানের কাষ্টম থিমস নিয়ে কাজ করাটাই উত্তম।


প্রশ্নঃ শুনেছি ব্লগস্পট দিয়ে ব্লগিং করলে নাকি ভালো ফলাফল পাওয়া যায় না?

উত্তরঃ এটা ঠিক নয়। আপনার ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকলে ব্লগস্পট নিয়ে কাজ করে ভাল র‌্যাংক করা কোন ব্যাপারই না।

প্রশ্নঃ কোন নিস (Nish) এ গুগল এ্যাডসেন্স বেশি পেমেন্ট করে? 

উত্তরঃ ২০১৯ এর গুগল এ্যাডসেন্স আপডেট অনুযায়ী সর্বচ্ছ (Heath) মানে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত টপিকস ওয়েবসাইটে বেশি পেমেন্ট করে থাকে। 


প্রশ্নঃ ডট কম ডোমেন ভাল নাকি ডট নেট হলে ভাল হয়?

উত্তরঃ আমি সবসময় ডট কম ডোমেন নেওয়ার পরামর্শ দেব।


প্রশ্নঃ কত অক্ষরের ডোমেন নেম হলে ভালো হয়?

উত্তরঃ পাঁচ অক্ষর থেকে শুরু করে পনের অক্ষরের মধ্যে রাখাটা ভাল।
এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন: 10 Tips Before You Buy a Domain Name 

প্রশ্নঃ কোন ধরনের টপিক নিয়ে কাজ করলে এ্যাডসেন্স দ্রুত অনুমোদন হবে?

উত্তরঃ গুগল সবসময় প্রযুক্তি বিষয় সংক্রান্ত ব্লগকে প্রধান্য দিয়ে থাকে। তবে এখন সর্বোচ্ছ পেমেন্ট দিচ্ছে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ওয়েবসাইটগুলোতে। যেমন:  Health.com


প্রশ্নঃ নিস হিসেবে Blogspot টিউটোরিয়াল কেমন?

উত্তরঃ অবশ্যই ভাল। পাশাপাশি ওয়েব ডিজাইন এবং এসইও নিয়ে লিখতে পারলে দ্রুত এ্যাডসেন্স পাওয়ার আশা করতে পারেন।


প্রশ্নঃ এসইও করলে নাকি দ্রুত এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয়?

উত্তরঃ সঠিকভাবে এসইও করা ব্লগকে এ্যাডসেন্স অবশ্যই গুরুত্ব সহকারে মূল্যায়ন করে। কারণ প্রোপার এসইও করা ব্লগে সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক বৃদ্ধি পায়।


প্রশ্নঃ ব্লগে About Us, Contact, Privacy Policy রাখা কি বাধ্যতামূলক?

উত্তরঃ এগুলো আপনার ব্লগ সম্পর্কে পাঠকদের স্বচ্ছ ধারনা দেয়। কাজেই এই পেজগুলি রাখলে ভাল ফলাফল পাবেন। বিশেষ করে জনপ্রিয় ব্লগের এ পেজগুলি অনেক গুরুত্ব বহন করে।


প্রশ্নঃ নিউজ, ভিডিও এবং ফ্রি নেট বিষয়ে গুগল এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয় নাকি?

উত্তরঃ সার্চ ইঞ্জিনের কাছে এগুলোর গুরুত্ব খুবই কম। সে জন্য এই টপিক গুলিতে এ্যাডসেন্স অনুমোদন হয় না বল্লেই চলে। তবে জনপ্রিয় করতে পারলে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আরো পড়ুন:  চাকরি ‍খুঁজছেন? তাহলে এই ১১৫টি সাধারন জ্ঞান জেনে নিন!


প্রশ্নঃ ইউনিক কনটেন্টের সাথে গুগল থেকে Image নিয়ে পাবলিশ করলে কোন সমস্যা হবে কি না?

উত্তরঃ অন্য ওয়েবসাইটের লগোযুক্ত ছবি ব্যবহার না করলে সমস্যা হবে না। তবে কেউ যদি তার ব্লগের ছবি সম্পর্কে রিপোর্ট করে, তাহলে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


প্রশ্নঃ সাইটে পর্যাপ্ত ইউনিক আর্টিকেল রয়েছে কিন্তু ভিজিটর কম, এ ক্ষেত্রে কি অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে?

উত্তরঃ পাওয়া যাবে, কারণ গুগল এ্যাডসেন্স সাইটের ট্রাফিককে খুব বেশী গুরুত্ব দেয় না। ভালমানের পর্যাপ্ত কনটেন্ট থাকলে এ্যাডসেন্স অনুমোদন হবে।


প্রশ্নঃ ডট TK ডোমেন দিয়ে কি এ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে?

উত্তরঃ না।


প্রশ্নঃ এ্যাডসেন্সে আবেদন করার পূর্বে কি কি Check List তৈরি করা দরকার?

উত্তরঃ গুগল এ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করার পূর্বে অবশ্যই কিছু Check List তৈরি করা ভাল। যেমন-ব্লগের সকল পোস্ট ৮০-৯০ ভাগ ইউনিক কিনা এবং গুগল পলিসির ভিতরে আছে কিনা। ব্লগের সকল গুরুত্বপূর্ণ পেজ ঠিক আছে কিনা। ওয়েবসাইটে ২৫-৩০ টি পাষ্ট ঠিকমতো ইনডেক্স হচ্ছে কিনা। ব্লগের ডিজাইন এবং এসইও ফ্রেন্ডলি কিনা সেটা চেক করতে হবে। সাদা সিদে ন্যাভিগেশন এবং লেয়াউট এ সব দরকারি জিনিস রাখতে হবে। সার্চ ইঞ্জিনে কিছু Organic Keywords এ ভাল Rank করালে এক্সট্রা পায়রিটি পাওয়া যাবে। সবকিছু ঠিকমতো থাকলে অল্প দিনে এ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া সম্ভব।
হোস্টেড ও নন-হোস্টেড একাউন্ট কি?

প্রশ্নঃ Hosted AdSense বলতে কি বুঝানো হয়?

উত্তরঃ গুগল ব্লগার, YouTube এবং AdMob দ্বারা ব্যবহৃত এ্যাডসেন্স হচ্ছে Hosted AdSense.


প্রশ্নঃ Non Hosted AdSense বলতে কি বুঝায়?

উত্তরঃ নিজস্ব সাইট দিয়ে অনুমোদন পাওয়া গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট হচ্ছে Non Hosted AdSense.


প্রশ্নঃ Non Hosted AdSense এর জন্য Alexa rank কোন প্রভাব বিস্তার করে?

উত্তরঃ না।


প্রশ্নঃ বাংলাদেশ থেকে Non Hosted AdSense এর জন্য কোন Niche বেশী অনুমোদন হয়?

উত্তরঃ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে Smartphone Review, Education Result এবং Technology সাইট দিয়ে অনুমোদন পাওয়া সম্ভব হয়।

আরো পড়ুন:মন ভালো রাখুন ও আত্মবিশ্বাসী হোন ৩০টি বৈজ্ঞানিক নিয়মে!


প্রশ্নঃ Hosted ও Non Hosted AdSense এর মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তরঃ এই দুটির মধ্যে প্রধান পার্থক্য হচ্ছে Hosted শুধুমাত্র গুগলের ব্লগার, YouTube এবং AdMob এ ব্যবহার করা যায়। অন্যদিকে নিজস্ব সাইটে Non Hosted AdSense সর্বোচ্চ ৫০০ টি Website এ ব্যাবহার করা যায়।


প্রশ্নঃ Hosted Account কি Non Hosted Account এ Upgrade করা যায়?

উত্তরঃ হ্যাঁ করা যায়, গুগল পলিসি অনুসারে ব্লগ তৈরি করে আবেদন করে Hosted Account থেকে Non Hosted Account এ Upgrade করা যায়।

প্রিয় পাঠক, আপনিও সম্ভব ডটকমের অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইল বিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, খাবার, বিস্ময়কর পৃথিবী, সচেতনমূলক লেখা, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ ইনবক্স করুন- আমাদের ফেসবুকে  SOMVOB.COM লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।