গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল খাওয়া কেন নিরাপদ নয়!

561

জার্নাল সায়েন্টিফিক রিপোর্টসে প্রকাশিত একটি গবেষণা নিবন্ধনে বলা হয়েছে, গর্ভাবস্থায় যেসব নারীরা ব্যথানাশক ওষুধ খান তাদের অনাগত সন্তানের ক্ষেত্রে প্রজনন ক্ষমতা বা উর্বরতা কমে যায়। প্রেগন্যান্সি বা গর্ভাবস্থায় অনেক দিন ধরে প্যারাসিটামল গ্রহণকরলে তার থেকে স্নায়ুরোগ দেখা দিতে পারে, যেমন এটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিসর্ডার (ADHD)এবং অটিস্টিক স্পেকট্রাম ডিসর্ডার (ASD).

এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, গর্ভাবস্থায় শুধু অতি প্রয়োজনে এবং অল্প সময়ের জন্য প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে। আর যাদের বেশি সময়ের জন্য এই ধরণের ওষুধ দরকার তাঁদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়ার উপরই জোর দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

এদিকে গবেষণায় দেখা যায়, প্যারাসিটামল, আইবোপ্রোফেন, অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ গর্ভাবস্থায় খেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রজনন ক্ষমতা বা উর্বরতা নষ্ট করে দিতে পারে। এ ধরনের ওষুধ যত অল্প পরিমাণে গ্রহণ করার যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখার কথা বলেছেন গবেষকরা।

প্রেগন্যান্সি বা গর্ভাবস্থায় অনেক দিন ধরে প্যারাসিটামল গ্রহণকরলে তার থেকে স্নায়ুরোগ দেখা দিতে পারে, যেমন এটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিসর্ডার (ADHD)এবং অটিস্টিক স্পেকট্রাম ডিসর্ডার (ASD).

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক দিন ধরে অল্প পরিমানে প্যারাসিটামল বা এসিটামিনোফেন ভ্রূণের স্নায়বিক গঠনতন্ত্রকে কুপ্রভাবিত করতে পারে। ছোটবেলায় এর অত্যাধিক সেবনের জন্য ও এই ধরণের প্রতিক্রিয়া শরীরে দেখা যেতে পারে। এর ফলে ADHD ও AHD  হওয়ার প্রবণতা ৩০ শতাংশ ও ২০ শতাংশ বেড়ে যায়। এছাড়া এর ফলে প্রতিবন্ধী হওয়ার সম্ববনাও আছে।

গবেষকরা মনে করেন যে, প্রেগন্যান্সির সময় ব্যাথা বা জ্বর থেকে সুস্থ থাকার জন্য অল্প পরিমানে এসিটামিনোফেন যা তুলনামূলক ভাবে সুরক্ষিত তা নেয়া যেতে পারে। কিন্তু অত্যাধিক জ্বর বা যন্ত্রনা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা।