আমলকী খাওয়ার ৩৮টির উপকারিতা

692
somovb.com

আমলকী খাওয়ার উপকারিতা

»

 আমলকী ত্বক, চুল ও চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িত ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

আমলকী হজমে সাহায্য করে ও স্টমাক এ্যাসিডে ব্যালেন্স বজার রাখে।

আমলকী লিভার ভাল রাখে, ব্রেনের কার্যকলাপে সাহায্য করে ফলে মেন্টাল ফাংশনিং ভাল হয়।

আমলকী ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

হার্ট সুস্থ রাখে, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে তোলে।

শরীর ঠান্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, মাসল টোন মজবুত করে।

লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে।

জ্বর, বদহজম, সানবার্ন, সানস্ট্রোক থেকে রক্ষা করে।

আমলকীর জুস দৃষ্টি শক্তি ভাল রাখার জন্য উপকারী। ছানি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ব্রণ ও ত্বকের অন্যান্য সমস্যায় উপকারী।

পেটের জ্বালাভাব কম রাখে। লিভারের কার্যকলাপে সাহায্য করে, পাইলস সমস্যা কমায়।

শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। ব্রঙ্কাইটিসেও এ্যাজমার জন্য আমলকীর জুস উপকারী।

আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে থেকে পারেন। এটি ক্ষিদে বাড়াতে সাহায্য করে।

এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকী গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডিটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

খাবারের সঙ্গে আমলকীর আচার খেতে পারেন। হজমে সাহায্য করবে।

আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।


এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এ ছাড়াও এটি পেটের গণ্ডগোল ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।

এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে।

শুকনো আমলকি ভেঙে এক গ্লাস জলে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে।

প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ, চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়।

খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।

এছাড়াও প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে।

আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য এটি ভালো।

আমলকি গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়া হার্টের জন্য ভালো।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।

কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী।

ব্রঙ্কাইটিস ও অ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারি।

শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশি মজবুত করে।

এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে।

শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে।

এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ফ্রি র‌্যাডিকালস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশনের অন্যতম কারণ এই ফ্রি র‌্যাডিকালস।

সর্দি-কাশি, পেটের পীড়া ও রক্তশূন্যতা দূরীকরণে বেশ ভালো কাজ করে আমলকি।

আমলকি ফলটি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলও কম রাখতে যথেষ্ট সাহায্য করে এই আমলকি।

উপকারিতা

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে।

আমলকি রস ত্বক, চুল ও চোখ ভালো রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িতও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

হজমে সাহায্য করে ও স্টমাকে আসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে।

আমলকি লিভার ভালো রাখে, মাথায় রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে।

আমলকি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

হার্ট সুস্থ রাখে, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে তোলে।

শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে আর পেশি মজবুত করে।

লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভালো রাখে। জ্বর, বদহজম, সানবার্ন, সানস্ট্রোক থেকে রক্ষা করে।

যাদের কোষ্ঠকাটিন্যের সমস্যা রয়েছে, তারা প্রতিদিন সকালে একটি করে গোটা আমলকি খেতে পারেন।

শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় মেদ ঝরাতেও আমলকি অপরিহার্য। ব্রঙ্কাইটিস ও অ্যাজমার জন্য আমলকির জুস দারুণ উপকারী।

আমলকি গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন। এতে খিদে বেড়ে যায়।।

এক গ্লাস দুধ বা পানির সঙ্গে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। অ্যাসিডিটির সমস্যা কম রাখবে অনেক।

আমলকিতে সামান্য নুন আর লেবুর রস মাখিয়ে রোদে শুকোতে দিন। শুকনো আমলকি রোজ খান। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচারও খেতে পারেন। হজমে দারুন সাহায্য করে।

আমলকি মাঝারি আকারে টুকরো করে ফুটন্ত পানির মধ্যে দিয়ে নরম করতে দিন। পানি ঝরিয়ে টান্ডা করতে দিন। এরপর নুন, আদা কুচি, লেবুর রস মাখিয়ে রোদে শুকোতে দিন। একটি এয়ারটাইট পরিস্কার জারের মধ্যে রেখে দিন। নষ্ট হবে না।

এছাড়া প্যানক্রিয়াটাইটিস রোগের পরে ক্ষতিগ্রস্ত প্যানক্রিয়াস (অগ্ন্যাশয়)-এর ক্ষত সারাতে আমলকি খুবই কার্যকর।

ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, প্রদাহ এবং কিডনি রোগ সারাতে আমলকির বিশেষ গুণ রয়েছে। আমলকির ফল, পাতা ও ছাল থেকে তৈরি পরীক্ষামূলক ওষুধে এইসব রোগ নিরাময়ের প্রমাণ মিলেছে।

আমলকি মানুষের রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে পারে বলে প্রমাণ রয়েছে।

রিপোর্ট বলছে, ডায়াবেটিক ইঁদুরের ওপর চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকির রস রক্তের চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। লিভারের কর্মক্ষমতা পুনরুদ্ধারে সাহায্য করতে পারে।

জেনে নিন আমলকির ১২টি গুন

আমলকি খেলে চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। এছাড়া লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে দাঁত ও নখ ভাল রাখে।

হার্টের রোগীর জন্য নিয়মিত আমলকি খাওয়া খুবই উপকারি। হার্টের রোগীরা আমলকি খেলে ধরফরানি কমবে।

টাটকা আমলকি খেলে তৃষ্ণা মেটে, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বন্ধ করে, পেট পরিষ্কার করে। আমলকি খেলে মুখে রুচি বাড়ে।

আমলকি ক্ষুধা বাড়ায় ও শরীর ঠাণ্ডা রাখে। এছাড়া পেটের পীড়া, সর্দি, কাশির জন্যও খুবই উপকারী।

পিত্ত সংক্রান্ত যেকোনো রোগে সামান্য মধু মিশিয়ে আমলকি খেলে উপকার হয়। বারবার বমি হলে শুকনো আমলকি এককাপ পানিতে ভিজিয়ে ঘণ্টা দুই পর সেই পানিতে একটু শ্বেত চন্দন ও চিনি মিশিয়ে খেলে বমি বন্ধ হয়।

আমলকি ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। নিয়মিত আমলকি খেলে ব্রণের দাগ দূর করে সেইসঙ্গে দেয় সতেজ ও মসৃণ ত্বক।

কাঁচা আমলকী বেটে চুলে লাগালে চুলের গোড়া শক্ত হয় সেইসঙ্গে অকাল পক্কতা দূর হয়। এছাড়া চুল ঝরঝরে থাকে এবং চুলের রং কালো হয়।

আমলকী বেটে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহার করলে রাতে ভালো ঘুম হয় ও মাথা ঠাণ্ডা থাকে।

রাতে আমলকির সঙ্গে বহেরা ও হরতকী মিশিয়ে পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরেরদিন সকালে খালি পেটে খেলে কোষ্টকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

তিন থেকে চার গ্রাম শুকনো আমলকীর গুড়া এক চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে এক সপ্তাহ খেলে বহু মুত্র রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

আমলকী বেটে তার সঙ্গে সাদা চন্দন ভালভাবে মিশিয়ে কপালে ম্যাসাজ করলে মাথা ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৪/৫ গ্রাম আমলকি পাতার রসের সঙ্গে পরিমান মতো চিনি মিশিয়ে একমাস খেলে চিরতরে অম্ল রোগ ভালো হয়ে যায়।