নতুন জোকস : সুন্দরী মেয়েরা সবসময় হিংসুটে হয়

208
নতুন জোকস
নতুন জোকস

সুন্দরী মেয়েরা সবসময় হিংসুটে হয়

তিন বান্ধবী বনের রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল। রাস্তায় তারা একটি পরী দেখতে পেল। পরী তাদের তিন বান্ধবীকে তিনটি জিনিস চাইতে বলল-
১ম বান্ধবী: আমাকে খুব সুন্দর চেহারার বানিয়ে দাও।
পরী তাকে খুব সুন্দর বানিয়ে দিলো।

২য় বান্ধবী: আমাকেও।
পরী তাকেও খুব সুন্দর বানিয়ে দিলো।

৩য় বান্ধবী খুব হাসতে থাকল।
পরী: কী ব্যাপার তুমি হাসছ কেন?
৩য় বান্ধবী: আমি চাই তুমি তাদের আবার বিশ্রী বানিয়ে দাও।

বাসের মধ্যে যা করলো ছেলেটি

বাস ড্রাইভার হঠাৎ করে ব্রেক চাপলো। দুর্ঘটনাক্রমে একটি ছেলে একটি মেয়ের উপরে গিয়ে পড়লো। ছেলেটি সাথে সাথে সুযোগের সদ্ব্যবহার করে মেয়েটিকে কিস করলো। মেয়েটি অপ্রস্তুত হয়ে বলল-
মেয়ে: আরে আপনি কী করছেন?
ছেলে: আমি এমবিএ করছি, আপনি?
মেয়ে: বি.এসসি।

বিল্ডিং বানানোর খরচ পঞ্চাশ টাকা

অজপাড়াগাঁ থেকে এক বুড়ি এলো ঢাকা শহরে, তার ছেলের সাথে। সে লিখতে-পড়তে তো জানতোই না। পঞ্চাশের বেশি গুনতে বা ভাবতেও পারতো না।

মতিঝিল নেমে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে সে বিমুগ্ধ হয়ে বললো, ‘বাফরে, কত্ত বড্ডা দালান! এইডা বানাইতে কম কইরা হইলেও পঞ্চাইশ ট্যাকা লাগসে!’

সুন্দরীর পায়ে উল্কি আঁকতে গিয়ে

সুন্দরী এক মেয়ে এক তরুণ উল্কি আঁকিয়ের কাছে গেল পায়ে উল্কি আঁকাতে। তরুণটি আঁকতে শুরু করল। শুরু করার একটু পরপর বলতে লাগল, ‘স্কার্টটা আরেকটু উপরে উঠান।’

বারবার স্কার্ট উঠাতে উঠাতে বিরক্ত হলো তরুণী। সে জানতে চাইল, ‘আপনি কী আঁকছেন পায়ে?’ তরুণ উত্তর দিলো, ‘জিরাফ।’

ডাক্তার কোথায় ইঞ্জেকশন দিয়েছিল?

এক মেয়ে হাসপাতাল থেকে ফিরে প্রেমিককে বলছে-
মেয়ে: দেখবে, কাল ডাক্তার আমাকে কোথায় ইঞ্জেকশনটা দিয়েছিল?
প্রেমিক: অবশ্যই! কোথায়?
মেয়ে: ওই যে, ওই হাসপাতালটায়।
প্রেমিক: ধ্যাত, আমি ভাবলাম…
মেয়ে: ছি, খাচ্চর কোথাকার।

মানুষ নাক দিয়ে ভাত খায়

বাংলাদেশি, জাপানি এবং ভারতীয় কফি শপের টেবিলে বসে-
জাপানি: জানিস, আমার দেশে প্লেন আকাশ দিয়ে উড়ে যায়!
ভারতীয়: আকাশ দিয়ে!
জাপানি: ঠিক আকাশ দিয়ে না, আকাশের একটু নিচ দিয়ে।
ভারতীয়: আমার দেশে জাহাজ পানির নিচ দিয়ে যায়।
বাংলাদেশি: তাই?
ভারতীয়: ঠিক পানির নিচ দিয়ে না, পানির একটু উপর দিয়ে।
বাংলাদেশি: আমার দেশের মানুষ নাক দিয়ে ভাত খায়।
ভারতীয়: তাই?
বাংলাদেশি: ঠিক নাক দিয়ে না, নাকের একটু নিচ দিয়ে।

লঞ্চ থেকে নদীতে পড়ে গেল তরুণী

লঞ্চে করে একবার বাড়ি যাচ্ছিল বৃদ্ধ মকফর। হঠাৎ করে লঞ্চ থেকে এক তরুণী নদীতে পড়ে গেল। তা দেখে সবাই চিৎকার শুরু করল, ‘বাঁচাও, মেয়েটাকে কেউ বাঁচাও’।

অথচ কেউ নামল না। নামল বৃদ্ধ মকফর। সবাই অবাক হয়ে গেল ৬০ বছরের বৃদ্ধের কাণ্ড দেখে। মকফর মেয়েটিকে নিয়ে লঞ্চে উঠলে সবাই তার প্রশংসা করতে লাগল। মকফর রেগেমেগে বলল, ‘আমারে ধাক্কা দিয়া নিচে ফালাইছে কোন শালা’?

অন্যের বাসা থেকে চুরি করা

স্বামী: মেহমানকে খাবার দিলে, কিন্তু চামচ দিলে না কেন?
স্ত্রী: ভয় লেগেছিল।
স্বামী: কিসের ভয়?
স্ত্রী: না মানে, চামচগুলো আমি ওদের বাসা থেকেই এনেছিলাম। দিলে যদি টের পেয়ে যায়—এ ভয়েই…

অপারেশন থিয়েটার থেকে পালাচ্ছে রোগী

এক রোগী অপারেশন থিয়েটার থেকে ছুটে পালাচ্ছেন। তাকে এভাবে ছুটতে দেখে এক ডাক্তার তার পথ আগলে দাঁড়ালেন-
ডাক্তার: কী ব্যাপার, আপনি এভাবে পালাচ্ছেন কেন?
রোগী: সাধে কী আর পালাচ্ছি?
ডাক্তার: ঘটনাটা খুলেই বলুন না।
রোগী: নার্স বলছেন, খুব সহজ অপারেশন, ভয়ের কোনো কারণ নেই।
ডাক্তার: নার্স তো ঠিকই বলেছেন।
রোগী: তিনি কথাটি আমাকে বলেননি, বলেছেন যিনি অপারেশন করবেন, সেই ডাক্তারকে।

স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কে স্বামীর মৃত্যু

স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্কে স্বামীর মৃত্যু

স্ত্রীর ২-৩টা অবৈধ সম্পর্কের কথা শুনে স্বামী স্ট্রোক করে মারা গেল। ছেলের বউয়ের আরও ৪-৫টা অবৈধ সম্পর্কের কথা শুনে শ্বশুরও হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেল। কিন্তু শাশুড়ির কিছুই হলো না। সবার মনে প্রশ্ন, কেন? পরে জানা গেল, শাশুড়ির সম্পর্ক আরও বেশি।

এরপর তোমার পালা!

ছোটবেলা গোপাল ভাঁড় কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে গেলে বুড়োরা তাকে ক্ষ্যাপাত আর হাসত, ‘গোপাল, এরপর তোমার পালা! শুনে গোপালের খুব রাগ হতো।

এরপর থেকে বুড়োদের কিভাবে জব্দ করা যায়, সেই পথ খুঁজতে লাগল। একসময় পেয়ে গেল। শবদাহ আর শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠানে গিয়ে ওইসব বুড়োদের বলতে লাগল, ‘এরপর তোমার পালা!’

তোমাকে মন থেকে ভালোবাসি

এক দুষ্টু ছেলে একটি মেয়েকে পথের মধ্যে আটকে দিলো-
দুষ্টু ছেলে: মলি, আমি তোমাকে মন থেকে ভালোবাসি।
মলি: জুতা খুলব নাকি?
দুষ্টু ছেলে: আমার মন মসজিদ বা মন্দির নয়, তুমি জুতা নিয়েই আসতে পারো।

নব দম্পতির কথোপকথন

নব দম্পতির কথোপকথন

স্ত্রী : যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো বাঁধানো, তবে কি তুমি রাগ করবে?

স্বামী : মোটেই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পরচুলা আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।

তরুণীর রূপে মুগ্ধ

অপরিচিত তরুণীর রূপে মুগ্ধ তরুণ অতি মোলায়েম কণ্ঠে : একটু শুনুন, প্লিজ!

তরুণী : জ্বী আঙ্কেল, বলুন!

বারবার ফোন করি

ঝগড়ার পর বউ রাগ করে বাপের বাড়ি চলে গেছে। স্বামী রোজ কয়েকবার ফোন করে। কিন্তু স্ত্রীর বদলে শাশুড়ি ফোন ধরেন এবং বিরক্ত কণ্ঠে জানিয়ে দেন যে তার মেয়ে এমন ছেলের ঘর করবে না। আজও জামাই ফোন দিলো শ্বশুরবাড়িতে।

শাশুড়ি : কতোবার বলবো যে আমার মেয়ে তোমার সংসার আর করবে না! তারপরও বারবার ফোন করে বিরক্ত করছো কেন, বাবা?

জামাই : আপনার প্রথম কথাটা বারবার শুনতে খুউব ভালো লাগে, শান্তি পাই আম্মা। এজন্যই বারবার ফোন করি।

বউ আমাকে বড্ড জ্বালায়

বউ আমাকে বড্ড জ্বালায়

জঙ্গলে দরবেশ বাবার কাছে গিয়ে-
করিম মিয়া : বাবা আমার বউ আমাকে বড্ড জ্বালায়। কোনো উপায় বলুন।
দরবেশ : বউয়ের জ্বালাতন থেকে বাঁচার উপায় থাকলে আমি কি আর জঙ্গলে আসি?

কে বেশি ভালো

মেয়ে : আমি ১০০ তে ১০০ ই পাইতাম কিন্তু একটু ভুলের জন্য ৯৯ পাইছি। তুমি কত পাইছো?
ছেলে : ৩৫ পাইছি।
মেয়ে : তাহলে কে বেশি ভালো স্টুডেন্ট বলো?
ছেলে : অবশ্যই আমি।
মেয়ে : কীভাবে?
ছেলে : তুমি ১০০ এর প্রিপারেশন নিয়া পাইছো ৯৯। আর আমি ৩৩-এর প্রিপারেশন নিয়া পাইছি ৩৫। তো কে বেশি ভালো স্টুডেন্ট?

অঙ্কই জানো না

শিক্ষক : বলো তো, তোমার বাবা শতকরা ১০ টাকা হার সুদে ৫০০ টাকা ব্যাংক থেকে লোন নিলেন। এক বছর পর তিনি ব্যাংককে কত টাকা দেবেন?
ছটকু : কোনো টাকাই দেবেন না, স্যার।
শিক্ষক : গাধা! এখনো এই অঙ্কই জানো না?
ছটকু : আমি অঙ্ক জানি, কিন্তু আপনি আমার বাবাকে জানেন না, স্যার!

বিয়ের প্রথম রাতে…

বিয়ের প্রথম রাতে…

বিয়ের প্রথম রাতে স্ত্রী তার স্বামীকে দেখলো সিগারেট খেতে-
স্ত্রী: তুমি প্রতিদিন কয় প্যাকেট সিগারেট খাও?
স্বামী: এই এক প্যাকেট বেনসন।
স্ত্রী: এক প্যাকেটের দাম কত?
স্বামী: ২০০ টাকা।
স্ত্রী: মানে মাসে ৬ হাজার টাকা। বছরে ৭২ হাজার টাকা। কয় বছর ধরে খাচ্ছ?
স্বামী: তা প্রায় ১০ বছর।
স্ত্রী: তার মানে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। এই টাকা দিয়ে তো একটা টয়োটা গাড়ি কেনা যেত। হায় হায়, এটা তুমি কী করলে? এতদিনে আমাদের একটা টয়োটা গাড়ি থাকত।
স্বামী: তুমি সিগারেট খাও?
স্ত্রী: ছি ছি, এসব বাজে জিনিসের ধারে কাছেও আমি যাই না।
স্বামী: তাইলে তোমার টয়োটা গাড়ি কই?

যখন ইচ্ছে তখনই!

পিপুলের একটি গার্লফ্রেন্ড জুটেছে। মেয়েটির নাম রেশমী। পিপুল একদিন রেশমীকে জিজ্ঞেস করলো-
পিপুল: ডার্লিং, তোমাকে কোন সময় ফোন করতে পারবো?
রেশমী: তোমার যখন ইচ্ছে তখনই করতে পারো।
পিপুল: গতকাল তো আমি তোমাকে ফোন করেছিলাম।
রেশমী: ওহো! তখন তো আমি শুয়ে ছিলাম। অতো তাড়াতাড়ি আমি ঘুম থেকে উঠিই না।
পিপুল: আচ্ছা! তাহলে কাল এগারোটায় ফোন করবো।
রেশমী: না না! তখন বাবা ঘরে থাকবেন।
পিপুল: তাহলে তিনটায় করবো।
রেশমী: আরে না। তখন তো লাঞ্চ টাইম।
পিপুল: তাহলে পাঁচটায়?
রেশমী: না না! তখন তো আমার ফেভারিট সিরিয়ালটা দেখায়।
পিপুল: ঠিক আছে। তাহলে আমি রাতে ফোন করবো।
রেশমী: না। রাতে সবাই ঘরে থাকবে।
পিপুল: তাহলে ফোনটা করবো কখন?
রেশমী: যখন তোমার ইচ্ছে হয় তখনই করতে পারবে!

সাদা চুলের কারণ

বাড়ির একেবারে ছোট ছেলেটা অনেক দুষ্টু। সারাক্ষণ সবাইকে জ্বালিয়ে মারে। একদিন বাবাকে বলছে-
ছেলে: আচ্ছা বাবা, তোমার চুল সাদা হয়ে যাচ্ছে কেন?
বাবা: ছেলে-মেয়ে দুষ্টু হলে বাবা-মায়ের চুল এমনি এমনি সাদা হয়ে যায়।
ছেলে: ও আচ্ছা, এজন্যই তো দাদুর মাথার চুল আরো বেশি সাদা!

স্ত্রী পালিয়ে গেছে

মিনিট দশেক তাড়া করে গতিবিধি লঙ্ঘন করা এক ড্রাইভারকে থামালো ট্রাফিক পুলিশ। বললো, আমি থামতে বলা সত্ত্বেও কেন আপনি থামেননি?
এক মুহূর্ত ভেবে নিয়ে ড্রাইভার বললো, আসলে হয়েছে কি, গত সপ্তাহে আমার স্ত্রী এক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। তো আপনাকে আমার পেছনে ছুটতে দেখে মনে হলো, আমার স্ত্রীকে ফেরত দিতেই আপনি আমার পিছু নিয়েছেন!

স্ট্র দিয়ে ভোদকা

দুই মাতালের কথোপকথন।
-স্ট্র দিয়ে ভোদকা খাচ্ছ কেন?
-ডাক্তার আমাকে বলেছেন পানপাত্র থেকে দূরে থাকতে।

কাঁদছো কেন?

ক্রন্দনরত শিশুকে জিজ্ঞেস করা হলো, কাঁদছো কেন?
-বাবা মেরেছেন।
-খুব ব্যথা পেয়েছ বুঝি!
-মোটেও না।
-তাহলে কাঁদছ যে!
-বাবাকে খুশি করার জন্য।

স্ত্রী হারানোর বিজ্ঞাপন

হারিয়ে গেলে কী করবে?

স্ত্রী: আমি যদি হারিয়ে যাই তাহলে তুমি কী করবে ?
স্বামী: কাগজে বিজ্ঞাপন দেবো!
স্ত্রী: কী লিখবে?
স্বামী: যে পাবে তার!

কাঁদছ কেন?

ক্রন্দনরত শিশুকে জিজ্ঞেস করা হলো, কাঁদছ কেন?
-বাবা মেরেছেন।
-খুব ব্যথা পেয়েছ বুঝি!
-মোটেও না।
-তাহলে কাঁদছ যে!
-বাবাকে খুশি করার জন্য।

ঘুমিয়েছে?

মা রান্নাঘরে ব্যস্ত বলে শিশুকে ঘুম পাড়াতে নিয়ে গেলেন বাবা। অনেকটা সময় পর আস্তে করে দরজা খুলে মা ঢুকলেন সেই অন্ধকার ঘরে। তারপর ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করলেন, ঘুমিয়েছে?
-হ্যাঁ, ঘুমিয়েছে, শিশুটি উত্তর দিলো।

বউ কাল রাতে খেপেছে

বউ কাল রাতে খেপেছে

জামাল: আমার বউ কাল রাতে আমার পকেট সার্চ করেছে।
কামাল: তাতে তুই নিশ্চয়ই খেপেছিস?
জামাল: আমি না, ও খেপেছে।
কামাল: কেন?
জামাল: পকেটে কিছু পায়নি।

বিশ বছর ধরে খাচ্ছি

চিকিৎসক: দেখুন, ঘুমাবার জন্য এ ওষুধটা আর খাবেন না, তাহলে কিন্তু অভ্যাস হয়ে যাবে।
রোগী: কী বলছেন, বিশ বছর ধরে খাচ্ছি, অভ্যাস তো হয়নি!

জাহাজের ক্যাপ্টেনের চাপাবাজি

জাহাজের ক্যাপ্টেন এক যাত্রীর সঙ্গে কথা বলছে—
ক্যাপ্টেন: আপনি শুধু শুধু ভয় পাচ্ছেন। এই সমুদ্রের নিচে কোথায় কোথায় শত শত ছোট-বড় পাহাড় আছে সব আমার জানা।
যাত্রী: তাই নাকি?
ক্যাপ্টেন: হুম, বিশ বছর ধরে জাহাজ চালাচ্ছি।

এমন সময় কিছু একটায় ধাক্কা খেয়ে জাহাজটা ভয়ানকভাবে কেঁপে উঠল।
ক্যাপ্টেন: এই হলো এক নম্বর!