যদি আপনি প্রতিদিন আঙ্গুর খান তাহলে কি হয় দেখুন!

788

আঙ্গুর শরীরে শক্তি জোগানোর সঙ্গে সঙ্গে আরেকটা কাজও করে থাকে আঙ্গুর। তা হলো
শরীরের মেদ কমিয়ে মানুষকে মোটা হওয়ার প্রবণতা থেকে রক্ষা করা। এতে পলিফেনলস নামে এমন একটি উপাদান আছে, যা পরিপাক ক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হতে সহায়তা করে। এর ফলে বিপাকজনিত সমস্যা থেকেও মুক্ত থাকতে পারে মানুষ।

এছাড়া শিরা-উপশিরাসহ পুরো দেহযন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করতে পারে। এই উপাদানটিই মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকারক উপাদানগুলোর পরিমাণ কমিয়ে আনতে ভূমিকা পালন করে। পরিপাক ক্রিয়াজনিত সমস্যার কারণে আপনি আক্রান্ত হতে পারেন উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে সুগারের প্রকোপ, অস্বাভাবিক হারে মেদবৃদ্ধি, হৃদরোগ ও টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগে।

আঙুর খেতে অভ্যস্ত লোকদের ক্ষেত্রে এসব ঝুঁকি অনেকটাই কম। নিয়মিত আঙুর খেলে আপনি পরিপাকজনিত সমস্যা থেকে মুক্ত থাকবেন এবং দেহ দীর্ঘ কর্মক্ষম থাকবে ।

« এক নজরে দেখুন এই প্রতিবেদনে কি কি রয়েছে »

কালো আঙ্গুরের গুণ সমূহ

১) মিশিগান ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে , কালো আঙ্গুর খেলে হৃদপিণ্ডে রক্ত চলাচল ভাল হয়। এর ফাইটোকেমিক্যাল হার্টের পেশীকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

২) কালো আঙ্গুরে থাকে লুটেন এবং জিয়াজ্যানথিন, যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

৩) ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর কালো আঙ্গুর ত্বকে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। এর ফলে বলিরেখা, কালো ছোপ, শুষ্ক ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় কালো আঙ্গুর খুবই উপকারী।

৪) কালো আঙ্গুরে রয়েছে ভিটামিন সি, কে এবং এ যা দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়াও এই আঙ্গুরের ফ্ল্যাবনয়েডস, খনিজ, অর্গ্যানিক অ্যাসিড কোষ্ঠ্যকাঠিন্য এবং হজমের সমস্যা ও কিডনির বিভিন্ন সমস্যায় ভালো কাজ দেয়।

৫) কলোরাডো ইউনিভার্সিটির ক্যান্সার সেন্টারের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কালো আঙ্গুর ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে উল্ল্যেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করে।

৬) ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে কালো আঙ্গুর।

৭) মস্তিস্কের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে কালো আঙ্গুর। স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, মাইগ্রেন, অ্যালঝাইমার্সের মতো রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রয়েছে কালো আঙ্গুরের।

৮) কালো আঙ্গুরে থাকে লুটেন এবং জিয়াজ্যানথিন, যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

৯) কালো আঙুরের বীজ পেস্ট করে, অলিভ অয়েলে মিশিয়ে চুলে ম্যাসাজ করতে পারেন। এই তেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই। ভিটামিন ই চুল পড়ার সমস্যা কমায় ও চুল সাদা হয়ে যাওয়াও প্রতিরোধ করে।

১০) অনেকে ছোট ছোট বিষয়গুলো দ্রুত ভুলে যান। আবার কোনো কথা বেমালুম স্মৃতি থেকে মুছে যায়। এটি আসলে এক ধরনের রোগ। এই রোগটি নিরাময়ে আঙ্গুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।


আঙ্গুরের ৩০টি উপকারিতা


কিডনি ভালো রাখে

আঙ্গুর ফলের সব ভিটামিন উপাদানগুলো ক্ষতিকারক ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা সহনশীল অবস্থায় রাখতে সাহায্য করে । সেই সাথে আমাদের কিডনির রোগ- ব্যাধির বিরুদ্ধেও কাজ করে থাকে  ও আমাদের শরীর কেও সুস্থ রাখে । এছাড়াও আঙ্গুর ফল আমাদের মাইগ্রেনের সমস্যাও রোধ করে থাকে ।

মাথাব্যাথা

হঠাৎ করে যদি কারো মাথাব্যাথা যদি শুরু হয় তাহলে কোন ঔষধ না খেয়ে কিছু আঙ্গুর ফল খেয়ে নিন এতে করে মাথাব্যাথা কমে যাবে।

অ্যাজমা প্রতিরোধ করে

আঙ্গুর ফলের ঔষধি যে গুন আছে এটি অ্যাজমার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে ও ফুসফুস আর্দ্র রাখে, যা শরীরের জন্য খুবই কার্যকর।

হার্ট ভালো রাখে

কালো আঙ্গুর খেলে হৃৎপিণ্ডে রক্ত চলাচল ভালো হয়। এর ফাইটোকেমিক্যাল হার্টের পেশিকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

দৃষ্টিশক্তি

প্রতিদিন সকালে নাস্তার সাথে বা ভাত খাওয়ার পর পরিমান মতো আঙ্গুর খেলে অন্যান্য রোগের সাথে সাথে দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে নিয়মিত আঙ্গুর খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ

শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে কালো আঙ্গুর।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা

কালো আঙ্গুরের ফ্ল্যাবনয়েডস, খনিজ, অরগ্যানিক অ্যাসিড কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হজমের সমস্যা দূর করে। দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ত্বক

ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর কালো আঙ্গুর ত্বকে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। ফলে বলিরেখা, কালো ছোপ, শুষ্ক ত্বকের বিভিন্ন সমস্যায় কালো আঙ্গুর খান ও ত্বকে মেখে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন। কয়েক দিনের মধ্যেই পার্থক্য লক্ষ করুন।

ক্যান্সার

আঙ্গুর ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফামিটরির মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান আছে । যা আমাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রদাহ দূর করে করে থাকে এই প্রদাহই ক্যান্সার রোগ জন্মের অন্যতম প্রধান কারণ । ব্রেস্ট, লাং, প্রোস্টেট ক্যানসারের মতো রোগেরও প্রতিরোধ করে কালো আঙ্গুর।

হার্ট ভালো রাখে

কালো আঙ্গুর খেলে হৃৎপিণ্ডে রক্ত চলাচল ভালো হয়। এর ফাইটোকেমিক্যাল হার্টের পেশিকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা

কালো আঙ্গুরের ফ্ল্যাবনয়েডস, খনিজ, অরগ্যানিক অ্যাসিড কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হজমের সমস্যা দূর করে। দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

চুলের জন্য উপকারী

কালো আঙুরের বীজ পেস্ট করে, অলিভ অয়েলে মিশিয়ে চুলে ম্যাসাজ করতে পারেন। এই তেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই। ভিটামিন ই চুল পড়ার সমস্যা কমায় ও চুল সাদা হয়ে যাওয়াও প্রতিরোধ করে।

স্বাদে ও গুণে কালো আঙ্গুর অতুলনীয়। তাই নিয়মিত কালো আঙ্গুর খাওয়ার অভ্যাস করুন।

হাড়কে সুস্থ রাখে

আঙুর মাইক্রো নিউট্রিইয়েন্টস যেমন, কপার, আয়রন এবং ম্যাংগানিজে ভরপুর একটি ফল যা হাড় সুস্থ এবং মজবুত হওয়ার জন্য অত্যন্ত জরুরী।

কিডনির সমস্যা

আঙুরের ইউরিক এসিডের এসিডিটি কমিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে। এটি আমাদের পরিপাকতন্ত্র থেকে এসিডের মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং কিডনির ওপর চাপ কমায়। এছাড়া কিডনির যেকোনো সমস্যা থেকে আমাদের মুক্ত রাখে।

হৃদপিণ্ড সুস্থ থাকে

আঙুর রক্তের নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি করে যা রক্তনালীর প্রতিবন্ধক দূর করতে সাহায্য করে। এতে করে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা প্রায় ৬০% কমে যায়। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর আঙুর দেহের কলেস্টোরল শুষে নেয়ার ক্ষমতা রাখে।

দুর্বলতা প্রতিরোধ করে

রক্তস্বল্পতা বা রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বল্পতা আমাদের দেশে খুব সাধারণ একটি ব্যাপার। রক্তসল্পতার কারণে দুর্বলতা, অল্পতেই হাপিয়ে উঠার প্রবণতা দেখা দেয়। এই সমস্যার সমাধান করে আঙুর। আঙুরের আয়রন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় মিনারেল রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। সুতরাং প্রতিদিন আঙুর খাওয়ার অভ্যাস করুন।

রোগ প্রতিরোধ করে

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত থাকলে দেহে কোনো রোগ বাসা বাধতে পারে না। আঙুরে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্লেভানয়েড, মিনারেল, ভিটামিন সি, কে এবং এ। এইসবই আমাদের দেহের ইমিউন সিস্টেম অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন নাগুর খাবার অভ্যাস করুন।

স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে

সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা যায় আঙুরের স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রয়েছে। স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিতে আছেন এমন নারীরা খেতে পারেন আঙ্গুর। গবেষণায় দেখা গেছে আঙ্গুরের উপাদানগুলো ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষের বিরুদ্ধে কাজ করতে সক্ষম। আঙুরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহে ক্যান্সারের কোষ তৈরি হতে বাধা প্রদান করে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

অর্গানিক এসিড, চিনি এবং সেলুসাস যা লেক্সাটিভের উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী যা আঙুরের মধ্যে বিদ্যমান। এছাড়াও আঙুরে প্রচুর পরিমাণে ইনস্যলুবেল ফাইবার রয়েছে যা আমাদের পরিপাকনালী পরিষ্কার রাখে। ডাক্তাররা কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীদের নিয়মিত আঙুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

দুর্বলতা দূর করে

দুর্বলতা দূর করতে কিসমিসের জুড়ি মেলা ভার। কিসমিসে রয়েছে চিনি, গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজ, যা তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহ করে। তাই দুর্বলতার ক্ষেত্রে কিসমিস খুবই উপকারী।

দাঁতের সুরক্ষা

বাচ্চাদের কিসমিস খাওয়ার অভ্যাস করালে দাঁতের সুরক্ষা হবে। আবার একই স্বাদ পাওয়ার সাথে সাথে বিপুল পরিমাণ উপকারও পাবে। চিনি থাকার পাশাপাশি কিসমিসে রয়েছে ওলিনোলিক অ্যাসিড, যা মুখের ভেতরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাঁধা দেয়।

ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে

কিসমিসের মধ্যে রয়েছে পলিফেনলস এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিইনফেমেটরী উপাদান, যা কাঁটা-ছেড়া বা ক্ষত হতে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা দূরে রাখে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে

কিসমিসের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহে ক্যান্সারের কোষ উৎপন্ন হওয়ায় বাধা প্রদান করে। কিসমিসে আরো রয়েছে ক্যাটেচিন, যা পলিফেনলিক অ্যাসিড। এটি ক্যান্সার মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

রক্তশূন্যতা দূর করে

রক্তশূন্যতার কারণে অবসাদ, শারীরিক দুর্বলতা, বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যতে পারে, এমনকি বিষণ্ণতাও দেখা দিতে পারে। কিশমিশে আছে, প্রচুর পরিমাণে লৌহ উপাদান, যা রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।

চুলের যত্ন

চুলের একটু যত্ন কম হলেই আমাদের চুলে খুশকিতে ভরে যায় । চুলে খুশকি এর সমস্যা প্রায় সবারই হয়ে থাকে । তাছাড়া যাদের চুলের আগা ফেটে গিয়ে চুল রুক্ষ ও ধূসর রঙের হয়ে যায় আর যাদের চুল ঝরে তারা নিয়মিত কিছুদিন আঙ্গুর ফল খেয়ে দেখতে পারেন তাতে চুলের সমস্যা সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ ।

রক্ত সঞ্চালন

সাধারণত যাদের রক্ত সঞ্চালনের ভারসাম্যহীনতায় ভোগেন তাদের জন্য আঙ্গুরের রস খুবই উপকারী । আঙ্গুর ফলের মধ্যে থাকা ফাইটোউট্রিয়েন্টস যা আমাদের শরীরে নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে থাকে ।

চোখ সুস্থ রাখে

আঙ্গুর ফল চোখ ভালো রাখতে অনেক কাজ করে থাকে । বয়সজনিত কারনে যারা চোখের সমস্যায় ভুগছেন তাদের আঙ্গুর ফল নিয়মিত খাওয়া অনেক জরুরি ।

আঙ্গুর ফল আমাদের সবার প্রিয় একটি ফল । আমরা সবাই এ ফলটি খেতে প্রছন্দ করি । তাছাড়া  আঙ্গুর ফল আমাদের জন্য অতি উপকারী একটা ফল । নিয়মিত আঙ্গুর ফল খেলে আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারে আসবে । তাই আমরা কম হলেও নিয়মিত আঙ্গুর ফল খাবার চেষ্টা করবো ।

আঙ্গুর বার্ধক্য রোধ করে

আঙ্গুরে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা আপনার বার্ধক্য রোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আঙ্গুরের বীজ ও খোসায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। অতএব দিনে একবার হলেও এক থোকা আঙ্গুর খেতে ভুলবেন না।

হার্ট সুস্থ রাখে

আপনি কি আপনার হার্ট নিয়ে ভীষণ চিন্তিত? তাহলে রাতের খাবারের সময় এক গ্লাস আঙ্গুরের জুস খেতে পারেন। দেখবেন এতে আপনার হার্ট সুস্থ থাকবে

নিয়মিত রক্ত সঞ্চালন

যারা রক্ত সঞ্চালনের ভারসাম্যহীনতায় ভোগেন তাদের জন্য আঙ্গুরের জুস খুবই উপকারী। আঙ্গুরে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস বিদ্যমান থাকে, যা নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনে সহায়ক ও ইনসুলিন বৃদ্ধি করে।

ক্যান্সার রোধ করে

আঙ্গুরের জুসে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফামিটরির মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে, যা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রদাহ দূর করে। এই প্রদাহ ক্যান্সার রোগ জন্মের প্রধান কারণ। এ ছাড়া আঙ্গুর মাইগ্রেনের সমস্যা রোধ করে।

ভুলে যাওয়া রোগ নিরাময়

অনেকে ছোট ছোট বিষয়গুলো দ্রুত ভুলে যান। আবার কোনো কথা বেমালুম স্মৃতি থেকে মুছে যায়। এটি আসলে এক ধরনের রোগ। এই রোগটি নিরাময়ে আঙ্গুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

হজমে সহায়তা করে

দাওয়াত খেয়ে এসে অস্বস্তি লাগলে খেতে পারেন আঙ্গুর। এটি হজমের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি পেটের পীড়াও দূর করে

কিডনির স্বাস্থ্য রক্ষা

আঙ্গুরের উপাদানগুলেঅ ক্ষতিকারক ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা সহনশীল অবস্থায় রাখে। সেই সঙ্গে কিডনির রোগব্যাধির বিরুদ্ধেও লড়াই করে।

ত্বকের সুরক্ষায়

আঙ্গুরে থাকা ফাইটো কেমিক্যাল ও ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট ত্বকের সুরক্ষায় কাজ করে। এত প্রচুর পরিমাণে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে।

চুলের যত্নে

একটু অযত্নেই চুল খুশকিতে ভরে যায় এমন অনেকেই আছেন। এছাড়া চুলের আগা ফেটে গিয়ে রুক্ষ হয়ে পড়ে, ধূসর রঙের হয়ে যায় এবং পরিশেষে চুল ঝরতে থাকে। এইসব সমস্যার সমাধানে খেতে পারেন আঙ্গুর।